বহিরাগত ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিষয়ে প্রৃকত ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে এবার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন। গতকাল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু অসাধু ও বহিরাগত ব্যবসায়ী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ডিও স্লিপের মাধ্যমে এলাচ, পাম তেলসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্য ক্রয়–বিক্রয়ের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, যা অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তাই সকল এলাচ, পামতেল সহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের ক্রয়–বিক্রয়ের ক্ষেত্রে খাতুনগঞ্জে যে সকল ব্যবসায়ী নিয়মশৃঙ্খলা ও সুনামের সাথে ব্যবসা করেন তাদের সাথে লেনদেন করার জন্য খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা করেন এবং পরবর্তীতে যদি কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনে জটিলতা সৃষ্টি হয়, তবে এর দায়ভার খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন নেবে না। উল্লেখ্য, এর আগে গত মঙ্গলবার খাতুনগঞ্জে বহিরাগত ভাসমান ব্যবসায়ীদের এলাচসহ বিভিন্ন পণ্যে বেপরোয়া ট্রেডিংয়ের বিষয়ে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ব্যবসায়ীরা। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, খাতুনগঞ্জ বাজারে বহিরাগত ভাসমান ব্যবসায়ীদের বেপরোয়া এলাচ ব্যবসার কারণে বৈধ মসলা আমদানিকারকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এসব কথিত মসলার ব্যবসায়ীদের কারো অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ নাই। তারা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে এলাচ কেনাবেচা করছেন। এক্ষেত্রে তারা বাজারের প্রচলিত আড়তদারি প্রথা ও ট্রেড রুলস তোয়াক্কা করছেন না। এই বেপরোয়া ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবসার কারণে ইতিমধ্যেই বাজারে বড় ধরণের অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। যা বৈধ আমদানিকারকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বৈধ আমদানিকারকরা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন। এতে পুরো খাতুনগঞ্জ বাজারের বাণিজ্যিক সুনামের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই আমদানিকারকদের রক্ষার স্বার্থে এ বহিরাগত ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে এলাচের ব্যবসার সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়।











