ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে ১৭ ওভার বোলিং করে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। সমপ্রতি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা তাঁকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো করতে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এটি কোন বাংলাদেশী বোলারের সেরা বোলিং ফিগার। এছাড়া প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৫ উইকেট শিকারের কীর্তিও গড়েন হাসান। প্রথম দিনের খেলা শেষে হাসান জানান, ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেটের সাথে ডারউইনের কন্ডিশন বা পরিবেশের মিল আছে। হাসান বলেন, ‘অভিজ্ঞতার কথা বলতে গেলে, আমি দুই জায়গার কন্ডিশনের মধ্যে বেশ মিল পেয়েছি। সেখানে বল করার পর, এখানকার কন্ডিশনে কিভাবে বল করতে হবে বা কোন লাইন–লেন্থে বল করা উচিত হবে, ঐ বিষয়ে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।’ সকালের সেশনে আর্দ্র ও নরম উইকেটের সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগায় বাংলাদেশের পেসাররা। বল থেকে ‘সিম মুভমেন্ট’ ভালোভাবে আদায় করে নেন তারা। হাসান জানান, বোলাররা লাইন–লেন্থ অব্যাহত রেখে বল করেছেন এবং একে অপরের সাথে জুটি বেঁধে বোলিং করেছেন। তিনি বলেন, ‘সকালে উইকেটে কিছুটা আর্দ্রতা ছিল। উইকেট নরম ছিল এবং সিম মুভমেন্টও ভালো ছিল। আমরা সুশৃঙ্খলভাবে এবং জুটি বেঁধে বোলিং করার পরিকল্পনা করেছিলাম এবং সব ঠিকঠাক হয়েছে।’ দুর্দান্ত বোলিংয়ে ট্রাভিস হেড ও স্টিভেন স্মিথের মতো ব্যাটারদের সাজঘরে পাঠিয়েছেন হাসান। স্মিথকে আউটের ব্যাপারে হাসান বলেন, ‘স্মিথের উইকেটটির কথা বলব, সে বুঝতে পারেনি কি হতে যাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছিল সে কিছু একটা করবে। আমি বাউন্সার দিলাম এবং সে মিস করল।’ বল হাতে সাফল্যের কৃতিত্ব তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনের সাথে ভাগ করে নিতে কার্পণ্য করেননি হাসান। তিনি জানান, দুই প্রান্ত থেকে চাপে রাখতে পারায় অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছিল বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘অন্য প্রান্ত থেকে এবাদত ও তাসকিন দারুণ বল করেছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ার উপর আমরা চাপ তৈরি করতে পেরেছিলাম। শেষ পর্যন্ত ফলাফলটা আমাদের অনুকূলেই এসেছে।’ হাসান বলেন, ‘ব্যাটাররাও দারুণ করেছে। দুর্ভাগ্যবশত সাদমান আউট হয়ে গিয়েছে। তানজিদ ও মুমিনুল ভালো জুটি গড়ে আমাদের এগিয়ে দিয়েছে।’












