নীরবতার গভীর গর্ভে শব্দের জন্ম হয়,
আলোর দিকে হাত বাড়ায় অনামী স্বপ্নেরা।
কলমের নিবে জেগে ওঠে ঋতুর বর্ণিল স্পন্দন,
হৃদয়ের গহীনে বাজে অনন্ত জীবনের সুর।
যেখানে ক্ষতও খুঁজে পায় মমতার ভাষা,
সেখানেই কবিতা হয়ে ওঠে আশ্রয় আর আলো।
অক্ষরের ভাঁজে ভাঁজে বয়ে চলে সময়ের নদী,
সত্যের শিখা ভেদ করে যায় আঁধারের প্রাচীর।
কবিতা কেবল শব্দ নয়, আত্মার উচ্চারণ;
স্বপ্ন, প্রেম, প্রতিবাদ আর প্রার্থনার সম্মিলিত স্বর।
যুগ পেরিয়ে সে রেখে যায় অমলিন পদচিহ্ন,
জাগিয়ে রাখে বিবেক, সৌন্দর্য আর মানবতা।
শব্দে শব্দে গড়ে উঠুক আগামীর সেতুবন্ধন,
হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে চলুক ঐক্যের অনুরণন,
প্রতিটি অন্তরে জ্বলে থাকুক সৃষ্টির নবীন বাতি,
‘কবিতাশৈলী’ হোক বাংলা কবিতার উজ্জ্বল সাথি।







