বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক এখন একটি নতুন ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিতে সোমবার দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে পৌঁছানোর পর শি মন্তব্য করেন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে তার এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। চলতি বছরে এটিই শি–য়ের প্রথম বিদেশ সফর। খবর বিডিনিউজের।
এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগে উত্তর কোরিয়ার একটি সংবাদপত্রে লেখা নিবন্ধে শি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা চীনের একটি স্থায়ী নীতি এবং দুই দেশ সব খাতে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বাড়াবে। তিনি আরও বলেছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় যেকোনো ধরনের আধিপত্যবাদ ও সামরিকবাদের বিরোধিতা করতে হবে।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পিয়ংইয়ং পৌঁছানোর পর শি–কে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন কিম জং উন ও তার স্ত্রী রি সল জু। শি জিনপিংকে গার্ড অব অনারও দেওয়া হয়। রাজধানীর কিম ইল সুং স্কয়ারে সামরিক ব্যান্ড দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে এবং শি–কে ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে অভিবাদন জানানো হয়। দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে শি ও কিম দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন। গত সাত বছরের মধ্যে উত্তর কোরিয়ায় এটিই শি–য়ের প্রথম সফর। এই সফরে শি– য়ের সঙ্গে তার স্ত্রী পেং লিউয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রয়েছেন। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শি–য়ের এই সফরে পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান সড়কগুলো দুই দেশের পতাকায় সাজানো হয়েছে। করোনা মহামারীর পর সীমান্ত যোগাযোগ ও বিমান চলাচল শুরু হওয়ার পর এটিই চীনের কোনো প্রেসিডেন্টের প্রথম উত্তর কোরিয়া সফর। ওয়াশিংটনের কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্র–এর গবেষক সিডনি সায়লার মনে করেন, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠতার ওপরই নির্ভর করছে উত্তর কোরিয়া কতদিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে উপেক্ষা করতে পারবে।












