আকবরশাহ এলাকায় চুরির ঘটনায় চোর চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

আজাদী প্রতিবেদন | শনিবার , ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

নগরীর আকবরশাহ এলাকার দুটি বাসায় চুরির ঘটনায় চোর চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি করা স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ ১১ হাজার ৮০০ টাকা, সাত ভরি স্বর্ণালংকার, দুটি মুঠোফোনসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলোফেনীর সোনাগাজীর জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম (৪৫), নওগাঁ সদর এলাকার মোস্তাকিন হোসেন মিঠু (৪৭), চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এলাকার সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), কুমিল্লার দাউদকান্দির মোহাম্মদ আলী (৪৩), কুমিল্লার মুরাদনগরের দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিক (৩৭), ফেনী সদর এলাকার মো. ইসমাইল (৩৩) এবং কুমিল্লার দাউদকান্দির ফারজানা বেগম (৩৮)

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৮ জুলাই দুপুরে আকবরশাহ থানার সিটি গেট এলাকায় ব্যবসায়ী মো. আলমগীর মিয়া ও তার স্ত্রী চিকিৎসকের কাছে গেলে তাদের বাসায় চুরি হয়। একই সময়ে পাশের বাসার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের বাসায়ও চুরি হয়। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আলমগীর মিয়া বাদী হয়ে ৩১ জুলাই আকবরশাহ থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তের একপর্যায়ে গত ৬ আগস্ট ডবলমুরিং এলাকা থেকে জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম (৪৫) ও মোস্তাকিন হোসেন মিঠুকে (৪৭) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৭ আগস্ট কোতোয়ালী এলাকা থেকে সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), মোহাম্মদ আলী (৪৩) ও দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিককে (৩৭) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১০ আগস্ট ডবলমুরিং এলাকা থেকে মো. ইসমাইলকে (৩৩) এবং ১৯ আগস্ট একই এলাকা থেকে ফারজানা বেগমকে (৩৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে স্বর্ণ মাপার একটি নিক্তি এবং চালভর্তি একটি ড্রামের মধ্যে পলিথিনে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১৫ লাখ ১১ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্যমতে, সেতু দাস, জসিম উদ্দিন, মোস্তাকিন হোসেন, মোহাম্মদ আলী ও ফারজানা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চুরি হওয়া অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধার এবং চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবানরের খাবারের জন্য এক টাকা বরাদ্দও নেই
পরবর্তী নিবন্ধরাঙ্গুনিয়ায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা