বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ‘বাঁশখালী মজলুম বিএনপির ব্যানারে’ গতকাল শনিবার বিকালে হাজারো লোকের উপস্থিতিতে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও গন্ডামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. লেয়াকত আলী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনা আমলে আমার থেকে বেশি নির্যাতিত কেউ হয়নি। তারপরও দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ খুব হতাশ হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে বাঁশখালীর মানুষের কথা বিবেচনা করে তিনি যেন দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তন করেন। তিনি বলেন, সাগর পাড়ে আমার বাড়ি, তাই বেড়িবাঁধের দুঃখ আমার মত কেউ বুঝবে না। আমি যদি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদে যেতে পারি তাহলে সাধারণ জনগণের কথা বলব, বেড়িবাঁধের কথা বলব। আমি শঙ্ক নদী ও জলকদরকে নিয়ে ইকোনমিক জোনসহ আধুনিক বাঁশখালী উপহার দেব। তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যারা মোবাইল ফোন বন্ধ করেছিল তার এখন মনোনয়ন পায়। আমি বিগত ১৭ বছর বারবার জেল–জলুমের শিকার হয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে চট্টগ্রামের অনেক নেতাই কর্মীদের পাশে ছিলেন না। কিন্তু আমি সবসময় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। আমি কৃষকের সন্তান, আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করি। আমার শেষ আস্থা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও বাঁশখালী উপজেলার যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. ছরোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও বাঁশখালী পৌরসভা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তাক আহমদ এবং চৌধুরী ওয়াহাবের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ফারুকী, বিএনপি নেতা এডভোকেট মহিউদ্দিন সিকদার, প্রবীণ বিএনপি নেতা হাজী ছাবের আহমদ, এডভোকেট কাজী মফিজুল রহমান, মো. কায়কোবাদ, নুরুল আলম, আল মামুন দুলাল, চৌধুরী ওয়াহাব, মো. মোস্তাক, মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ সোলাইমান প্রমুখ।












