প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদী থেকে আহরিত ডিম থেকে উৎপাদিত রেণু আজ মঙ্গলবার থেকে বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ডিম সংগ্রহকারীরা। প্রতিকেজি রেণুর দাম প্রাথমিকভাবে এক লাখ বিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে মা মাছ প্রথমে নমুনা ডিম ছাড়ে। একই দিন বিকালে দ্বিতীয় দফা ডিম ছাড়ে। পরে দিবাগত রাতে পুনরায় ডিম ছাড়ে। নমুনা ডিমসহ তিন দফায় এবার প্রথম জো/তিথিতে মাছ ৬ হাজার কেজি ডিম ছেড়েছে। আড়াইশ নৌকায় পাঁচ শতাধিক ডিম সংগ্রহকারী নদী থেকে ডিম সংগ্রহ করে।
এদিকে হালদা নদী থেকে আহরিত ডিম থেকে রেণু ফোটাতে মাছুয়াঘোনা হ্যাচারিতে ৪৬টি কুয়া, শাহ মাদারিতে ৪৫টি এবং মদুনাঘাটে ১৮টি কুয়ার পাশাপাশি গড়দুয়ারা ও বারিয়াঘোনায় ৩০টি মাটির কুয়া প্রস্তুত ছিল। শাহ মাদারিতে ২৫ গ্রুপ, মাছুয়োঘোনাতে ২৬ এবং মদুনাঘাটে ২০টি গ্রুপ এবং মাটির কুয়াসহ পাঁচশতাধিক ডিম সংগ্রহকারী হালদা নদী থেকে আহরিত ডিম থেকে রেণু ফোটান। প্রথম জো/তিথিতে ডিম কম পাওয়ায় ডিম সংগ্রহকারীদের রেণু ফোটাতে তেমন বেগ পেতে হয়নি বলে জানান তারা।
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ডিম সংগ্রহকারী গড়দুয়ারায় কামাল সওদাগর ও মধ্যম মাদার্শার আশু বড়ুয়া আজ মঙ্গলবার থেকে রেণু বিক্রি শুরু হবে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, এবার প্রাথমিকভাবে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি এক লাখ বিশ হাজার টাকা। তবে ক্রেতার চাহিদা অনুসারে দাম বাড়তে বা কমতে পারে বলেও তারা জানান।














