থাইল্যান্ডে নিজ বাড়ি ও স্কুলে নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনায় ১৪ বছর বয়সী কিশোর ও তার স্বজনসহ মোট ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হামলাকারী ওই কিশোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখে বন্দুক চালানো শিখেছিল বলে রোববার জানিয়েছে পুলিশ। খবর বিডিনিউজের।
কর্তৃপক্ষ বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংস কনটেন্ট দেখা, পড়াশোনা নিয়ে মানসিক চাপ, পারিবারিক জটিলতা এবং বন্ধুদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ার কারণে ওই কিশোর এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা আতথাপোল অনুসিথের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ওই কিশোরের হামলার পেছনের মূল কারণ জানতে পুলিশ এ পর্যন্ত ১৭ জন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আলামত হিসেবে কিশোরটির ব্যবহৃত পিস্তল, গুলির খোসা, তার মোবাইল ফোন এবং স্কুলের ব্যাগে রাখা একটি ছুরি জব্দ করা হয়েছে। ফরেনসিক কর্মকর্তারা জানান, কিশোরটির ছোড়া গুলির নিশানা ছিল বেশ নিখুঁত এবং অধিকাংশ গুলিই ভুক্তভোগীদের শরীরের সংবেদনশীল অংশে লেগেছে। তবে তদন্তে কোনও শুটিং ক্লাবে গিয়ে কিশোরের বন্দুক চালানোর প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।










