গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ঐতিহাসিক কেন্দ্রের প্লাকা এলাকায় একটি বিস্ফোরণে ভবন ধসে ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক ব্রিটিশ নাগরিকও রয়েছেন। খবর বাংলানিউজের।
শুক্রবার বিস্ফোরণ ঘটে। প্লাকা এথেন্সের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকা, যা অ্যাক্রোপলিসসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের কাছাকাছি। নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজন মার্কিন পর্যটক, একজন ব্রিটিশ নাগরিক এবং একজন গ্রিক নাগরিক রয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিক নাগরিক দুজন একই ভবনে বসবাসকারী এক বয়স্ক দম্পতি ছিলেন। বিস্ফোরণের পর শনিবার ঘটনাস্থলের ছবিতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তল্লাশি চালাতে দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজ থেকেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার বিকেলের মধ্যে ভবনটির ধ্বংসস্তূপ থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এথেন্সের মেয়র হারিস দুকাস ঘটনাটিকে ‘অবিশ্বাস্য বিপর্যয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রয়টার্সের স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে জানায়, শুক্রবার এথেন্স বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত ফ্লাইটে ওই চার মার্কিন পর্যটক না ওঠায় তাদের নিখোঁজ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় তিনতলা ভবনটি পুরোপুরি ধসে পড়ে।
আশপাশের কয়েকটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে পড়ে সড়কজুড়ে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিস্ফোরণে ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষে আশপাশের সড়কে কয়েকজন আহত হন। নিরাপত্তার কারণে কয়েকটি ভবন থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। উদ্ধারকাজে খননযন্ত্র ও তাপ শনাক্তকারী ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি চালান। বিস্ফোরণটি এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস ও টেম্পল অব অলিম্পিয়ান জিউস–দুটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনস্থলের মাঝামাঝি একটি সরু সড়কে ঘটে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, এথেন্সে একটি সন্দেহভাজন বিস্ফোরণের বিষয়ে আমরা অবগত এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।












