চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আনার বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সঙ্গে আলোচনা করেছে নিউভিশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। গতকাল মঙ্গলবার সিডিএ ভবনে সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে নিউভিশন ইনফ্রাস্ট্রাকচারের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। খবর বাসসের।
বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক যোগাযোগ অবকাঠামো, নগরের পর্যটন অবকাঠামো এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। নিউভিশনের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিডিএর স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান। এসব পরিকল্পনার মধ্যে জাপান সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্প চিহ্নিত করে সেখানে জাপানি বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা আনার আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।
প্রতিনিধিদল জানায়, জাপানের শীর্ষস্থানীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও বহুজাতিক গ্রুপগুলোর সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে জাপানি কারিগরি সমন্বয় ও লজিস্টিকস সহায়তার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পে বড় পরিসরে জাপানি বিনিয়োগ আনা সম্ভব বলে তারা মনে করে।
সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানের সবুজ, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। জাপানের কাজের গুণগতমান, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
তিনি বলেন, সিডিএর চলমান ও আসন্ন মেগা প্রকল্পে সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) অথবা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও অনুকূল পরিবেশ দিতে সিডিএ প্রস্তুত।
বৈঠকে সিডিএর সদস্য (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী, সদস্য (ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিকল্পনা) মো. জামিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, উপপ্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আবু ঈসা আনছারী, নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মদ মঈনুদ্দিন ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।












