চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী (৭৪) আর নেই। গতকাল সোমবার ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি….রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কয়েকদিন আগে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ভাতিজা বায়েজিদ আল নাহিয়ান চৌধুরী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাত ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের বিভারলি হিল সোসাইটিতে তার বাসভবনের সামনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, নজরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৫২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবু ছাহাত চৌধুরী ও মাতার নাম মরিয়ম বেগম। ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেন তিনি। দলের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সহ–সভাপতি ও চন্দনাইশ উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম– ১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসন থেকেন তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বলাভ করেন।












