সদারঙ্গের শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান

আনন্দন প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার , ২৮ নভেম্বর, ২০১৯ at ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ

সদারঙ্গ উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে উচ্চাঙ্গ সংগীতের শিল্পী উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া স্মরণে ‘বৈজু বাওরা’ চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান গত ২৪ নভেম্বর নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে অনুষ্ঠিত হয়। এই চলচ্চিত্রটি সম্রাট আকবরের শ্রেষ্ঠ রত্ন তানসেন এবং তার গুরচভাই বৈজুকে নিয়েই তৈরী হয়েছে। এতে কণ্ঠদান করেছেন সংগীতজ্ঞ উস্তাদ আমীর খাঁ, পণ্ডিত ভি. পালুস্কর, শিল্পী মোহাম্মদ রফি ও লতা মঙ্গেশকরের মতো শিল্পীরা। সংগীত পরিচালক ছিলেন সুবিখ্যাত নাওশাদ। শাস্ত্রীয় সংগীতের রসদ শ্রোতা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক সকলের কাছেই এটি একটি দেখার মত চলচ্চিত্র।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান শুরু হয়। এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের এ্যাটাচী এমডি পুরকায়স্থ। তিনি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পন্ডিত স্বর্ণময় চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন। বাংলাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতে যাঁর অবদান চির স্মরণীয় তিনি উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া। এ অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয়েছে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে। এরপর শুরু হয় মূল সংগীতানুষ্টান। শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠানের শুরুতে ইমন রাগে প্রথমে বিলম্বিত একতাল ও পরে দ্রুত ত্রিতালে খেয়াল পরিবেশন করেন শিল্পী রাজিব দাশ (চট্টগ্রাম)। তাকে সহযোগিতা করেন তবলায় সুরজিৎ সেন, পরের পরিবেশনা ছিল বাঁশি। রাজশাহীর শিল্পী শরৎ কুমার পাল বাঁশিতে পরিবেশন করেন রাগ ও খেয়াল। তাকে সহযোগিতা করেন তবলায় দিনাজপুরের শিল্পী ইফতেখার আহমেদ প্রধান অনুষ্ঠান পরিবেশনায় ছিলেন নাটোরের শিল্পী আলমগীর পারভেজ সুমন। তিনি পরিবেশন করেন রাগে ও খেয়ালে ঠুমরী। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তিথিনু মার্মা।

x