চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালে বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের আহ্বায়ক ডা. মো. খুরশীদ জামিল চৌধুরী।
হাসপাতালের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. সুমন রহমান চৌধুরী সঞ্চালনায় সেমিনারে ‘ডোন্ট মিস অ্যা বিট–হার্ট ফর অ্যাকশন’ বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আনিসুল আউয়াল। এছাড়া ফিফথ ইউনিভার্সাল ডেফিনিশেন অব মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস. এম ইফতেখারুল ইসলাম।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, হৃদরোগের অন্যতম গুরুতর অবস্থা হার্ট অ্যাটাক। হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী কোনো ধমনীতে রক্ত জমাট বা অন্য কোনো কারণে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হৃদরোগ প্রতিরোধে খাদ্যভাসের পরিবর্তন করতে হবে। আবার কায়িক পরিশ্রম না করে শুধু খাদ্যাভাস পরিবর্তন করলে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যাবে না। হৃদরোগের চিকিৎসার চেয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ উত্তম। বুকের মাঝখানে চাপ বা অস্বস্তি, বাহু, পিঠ কিংবা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম বা বমিভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।












