শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলাটাও একটা আর্ট

ফাতেমাতুজ জোহুরা | শনিবার , ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ at ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলাটাও একধরনের শিল্প আমার অন্তত তা–ই মনে হয়। আমার মনে হয় আমরা অধিকাংশই এই দক্ষতা অর্জন করতে পারিনি। কথার ধরন, শব্দচয়ন আর উচ্চারণের মধ্য দিয়েও একজন মানুষের রুচিবোধ ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়। অথচ কারও কথা বলার ধরন, উচ্চারণ কিংবা উপস্থাপনা নিয়ে ট্রল করতে আমাদের জুড়ি নেই!

নিজে কতটা পারি, সেই হিসাব না করে অন্যের ভুল ধরতে আমরা যতটা ব্যস্ত, তার অর্ধেক সময়ও যদি নিজেকে পরিশীলিত করতে ব্যয় করতাম, তাহলে হয়তো আমাদের রুচিবোধটা আরও উন্নত হতো।

শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলা যেমন একটি চর্চার বিষয়, তেমনি কাউকে সম্মান দিয়ে কথা বলাও একটি শিক্ষা। সবাই সবকিছুতে দক্ষ হবে না, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কারও দক্ষতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মতো মানসিকতা সবার থাকা উচিত।

মনে রাখবেন, সমালোচনা করার আগে আমাদের বোঝা উচিত, প্রতিটি দক্ষতার পেছনে থাকে চর্চা, ধৈর্য আর পরিশ্রম। অন্যকে ছোট করে নয়, বরং তার কাছ থেকে শেখার মানসিকতা গড়ে তোলাই প্রকৃত রুচিশীলতার পরিচয়। কাউকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পারলেই নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করা যায় না; বরং অন্যের যোগ্যতাকে সম্মান করতে পারাটাই প্রকৃত স্মার্টনেসের পরিচয়। ট্রল করা খুব সহজ, কিন্তু নিজের ব্যক্তিত্ব, ভাষা ও রুচিবোধকে উন্নত করা সেটাই আসল চ্যালেঞ্জ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবারইয়ারহাট ওভারব্রিজ কার?
পরবর্তী নিবন্ধভুল না করলে শিখবে কীভাবে