চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় সামপ্রতিক কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে সিএনজি ও রিকশা চালক সমিতি এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান। গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে ক্যাম্পাস সংলগ্ন রেলক্রসিংয়ের নুর জাহান কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, সহিংসতা পরিহার এবং সমস্যা সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সিএনজি–রিকশা চালক ও স্থানীয়দের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। শিক্ষার্থী আর স্থানীয় এলাকাবাসী, সিএনজি–রিঙা চালকরা একে–অপরের পরিপূরক। একে–অপরের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক চলতে দেওয়া যায় না। কোনোভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত দিবেন না।
উপাচার্য আরও বলেন, কোনো শিক্ষার্থী যদি কোনো চালক বা স্থানীয়দের সঙ্গে অসদাচরণ করে বা অন্যায় করে, তাহলে তা নিজেরা সমাধান না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। আমরা সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ সময় উপাচার্য রিঙা ও সিএনজি চালকদের তিনটি কমিটি গঠনের আহ্বান জানান এবং সেগুলো মনিটরিং করার নির্দেশনা দেন। কোনো সমস্যা হলে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি। হাটহাজারী উপজেলার ১১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চবি প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুল হুদা, স্থানীয় সিএনজি চালক সমিতির সভাপতি মো. খোরশেদ, দপ্তর সম্পাদক মো. শামীম, ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ এবং রেলগেট ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষে নুরুল হল খোকন প্রমুখ। চবির সাবেক শিক্ষার্থী মো. সোহেলের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফতেপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুসা সিদ্দিক, সিএনজি ও রিঙা চালক সমিতির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা।













