বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম চবি শাখা আয়োজিত বার্ষিক লেখক সম্মাননা ও আলোচনা সভা গতকাল শনিবার দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও চবি সিনেট সদস্য সাঈদ আল নোমান। প্রধান বক্তা ছিলেন–এস কে আজিজুল বারী হেলাল এমপি। উদ্বোধক ও বিশেষ অতিথি ছিলেন–চবির উপ–উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল–আমীন।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশে একটি সামাজিক বিপ্লব, সাংস্কৃতিক বিপ্লব দরকার। লক্ষ্য ছাড়া কিছুই অর্জন করা যায় না। চিন্তাশক্তিকে বাস্তব জীবনে রূপ দিতে হলে লিখতে হবে। লেখনীর মাধ্যমে সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরতে হবে। বাংলাদেশের সমস্যার সমাধান এ শিক্ষার্থীদের লেখনীর মাধ্যমে একটি রেভোলেশন তৈরি করতে হবে। লেখনীর মাধ্যমে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।
প্রধান বক্তা বলেন, তরুণ প্রজন্মের জন্য নিয়মিত বই পড়ার গুরুত্ব এবং সুস্থ সমাজ গঠনে সাংগঠনিক চর্চার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
উদ্বোধক বলেন, তরুণ লেখকরা সমাজের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম বিষয়গুলো তুলে ধরে আমাদের দিশা দিক, আমরা সেটাই চাই। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন–পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন চবি যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খন্দকার আলী আর রাজী। আলেচক ছিলেন সাংবাদিক এ কে আজাদ। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন রাবিপ্রবির উপ–উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল, চবি ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চের চেয়ারম্যান ও চবি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. জহুরুল আলম, প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী এবং সাংবাদিক অলিউর রহমান। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম চবি শাখার সভাপতি আই এইচ ইমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোনেম শাহরিয়ার শাওন। তরুণ লেখকদের দিকনির্দেশনামূলক প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন সাংবাদিক শামসুদ্দীন ইলিয়াস। আলোচনা পর্ব শেষে চবি শাখার নির্বাচিত তরুণ কলামিস্ট ও লেখকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












