গত রোববার থেকে টানা ৫ দিনের বৃষ্টির প্রভাবে রাঙামাটির বিভিন্ন সড়কে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে বৃহস্পতিবার সকালে সাময়িক যান চলাচল বন্ধ ছিল রাঙামাটি–চট্টগ্রাম–বাঙালহালিয়া সড়কে। তবে বন্ধ আছে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে সড়কে মাটি ধসে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর সড়ক বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় পরে স্বাভাবিক করা হয়। তবে সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে দেড় শতাধিক পর্যটক ভেঙে ভেঙে সাজেক ছেড়েছেন। বাকিরা এখনো সাজেকে রয়েছেন।
এদিকে খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
সাজেক–খাগড়াছড়ি সড়কের দীঘিনালা–কবাখালি অংশ এবং বাঘাইহাট, মাচালং এবং সীমানাছড়ার চারটি পয়েন্টে এখনো সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় সাজেকের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এদিকে দীঘিনালার মেরুং এলাকার প্রায় ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যে দীঘিনালার উপজেলার ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রে লোকজন গতকাল রাত থেকে আশ্রয় নিয়েছে। পানিবন্দী রয়েছে প্রায় আট হাজার মানুষ। এবং যারা বন্যা দুর্গত মানুষ তাদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে খিচুড়িসহ গরম খাবার রান্না করে দেয়া হচ্ছে।










