খাতুনগঞ্জের ভোগ্যপণ্যের বড় আমদানিকারক ও মীর গ্রুপের কর্ণধার আবদুস সালাম বলেছেন, পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কারণে প্রতিটি ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়তির দিকে। তবে যে প্রক্রিয়ায় পরিবহন মালিকরা ধর্মঘট ডেকেছেন সেটি দুঃখজনক। আবার সরকার ডিজেলের দাম এক লিটারে একসাথে ১৫ টাকা বাড়িয়েছে-এটিও বেশি। তবে পরিবহন মালিকরা সরকারের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সেটেল করতে পারতেন। তাহলে এই চার দিন ব্যবসায়ীদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় কার কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে নির্ণয় করাটা কঠিন। যেমন, ভারত থেকে আমার গমের চালান আসতে পারেনি। এর প্রভাবে কিন্তু আজকে (গতকাল) গমের বাজার বেড়েছে। আমাদের কথা হলো, আল্লাহ মানুষকে বিবেক দিয়েছে। সেই বিবেককে কাজে লাগিয়ে আমাদের সকলের কাজ করা উচিত। ধর্মঘট কিন্তু আমাদের সৃষ্টি। পরিবহন মালিকরা সরকারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে ধর্মঘট করেছেন। এক্ষেত্রে তারা দুইটা দিন অপেক্ষা করে সরকারের সাথে আলোচনায় বসলে এই জটিলতা হতো না। আমি বলব, এটা দেশেরই ক্ষতি।












