মুঘল সম্রাট কবি বাহাদুর শাহ জাফরের শেষ পরিণতি

রতন কুমার তুরী | শুক্রবার , ৯ অক্টোবর, ২০২৬ at ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ

বাহাদুর শাহ জাফর। ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাসের সর্বশেষ সম্রাট। ইতিহাসে তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যবান সম্রাট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যে একজন ভালো উর্দুভাষী কবি ছিলেন তা বোধহয় অনেকেই জানে না। জানলেও ইতিহাস কখনও পরাজিতদের তেমন করে মনে রাখে না বলেই কবি বাহাদুর শাহ জাফরের অনেক ভালো ভালো কবিতা সম্পর্কে আমরা খবর রাখিনি।

১৯৬৯। মির্জা গালিবের প্রয়াণের শতবর্ষ। লাল কেল্লায়, দেওয়ান–ই–আমে, আইপিটিএ মঞ্চস্থ করল একটি নাটক– ‘আখরি শমা’। নাট্যরূপ কাইফি আজমির, পরিচালনায় এম এস সথ্যু। পটভূমি ১৮৫৭–র দিল্লি। সিপাহি আন্দোলন তখনও বিশেষ দানা বাঁধেনি সেখানে, তবে অশান্তির খবর আসছে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে। তেমনই এক সময়ে, মৌলবি করিমউদ্দিনের উদ্যোগে আয়োজিত হয় বার্ষিক মুশায়েরা। উপস্থিত মির্জা গালিব, জক প্রমুখ দিকপাল কবি। মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর নিজে আসতে না পারলেও পাঠালেন তাঁর পুত্র মির্জা ফকরুকে। সেই সঙ্গে নিজের একটি গজল।

পরবর্তীকালেও একাধিকবার অভিনীত হয়েছে এই থিয়েটার। তবে এর নেপথ্যে যে বই, মির্জা ফারহতউল্লাহ বেগের ‘দিল্লি কা আখরি শমা’, তা ১৮৪৫–এর পটভূমিতে রচিত। আপাত কাল্পনিক সেই আখ্যানের ভিত্তি ছিল একটি বাস্তব মুশায়েরার কাহিনি। সেই সময়কালকেই সিপাহি আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এনে ফেললেন কাইফি আজমি, আর অশান্ত সময়ের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেল দিল্লির রাজকীয় কবি সম্মেলন। থিয়েটারের ভাষ্য অনুযায়ী, দিল্লিতে মুঘলদের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত শেষ মুশায়েরা ছিল এটা।

শেষ কেন? এর উত্তর খুঁজতে গেলে উঁকি দিতে হয় ১৮৫৭–র দিল্লিতে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে সিপাহিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে অসন্তোষ, যার জন্ম হয়েছিল এনফিল্ড রাইফেলের কার্তুজে গোরু ও শুয়োরের চর্বি মেশানো রয়েছে, এই গুঞ্জনের মধ্য দিয়ে, যা পরিণতি পায় ইংরেজ–বিদ্বেষে। ডাক ওঠে ইংরেজ–মুক্ত ভারতের। দিল্লির পথেঘাটে শোনা যেতে থাকে একটি শের–

‘ইরান নে কেয়া না কিয়া, শাহ–এ–রুস নে,

ইংরেজ কো তবাহ কিয়া, কারতুস নে।’

গুঞ্জন ওঠে, এটি নাকি খোদ জাহাঁপনা বাহাদুর শাহ জাফরের লেখা। তবে প্রমাণ নেই কোনও। মে মাসে দিল্লিতেও আন্দোলনের উত্তাপে আন্দোলনকারীরা বাহাদুর শাহকে তাঁদের নেতা ঘোষণা করলেন। অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজি হলেন সম্রাট। তারপর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দিল্লিতে। মির্জা গালিব, তৎকালীন ‘দবির–উল–মুলক’, নিজের দিনলিপিতে লিখছেন– ‘এ অবস্থায় বাদশাহ অসহায়ত্বের শিকার হলেন। ফলে, সৈন্যরা তাঁকেও তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেল। গ্রহণের সময়ে চাঁদকে যেভাবে গ্রাস করা হয়, ঠিক সেইভাবে। বাদশাহ ছিলেন চাঁদের মতো। তাঁর গ্রহণ শুরু হয়েছে। পূর্ণিমার চাঁদ ছিল না।’ দিল্লিতে আন্দোলনের যে তীব্রতা দেখা দিয়েছিল, কয়েক মাসের মধ্যেই তা কড়া হাতে দমন করে ব্রিটিশ। প্রত্যাঘাত অসম্ভব বুঝে, ২০ সেপ্টেম্বর লাল কেল্লা ছেড়ে পূর্বপুরুষ হুমায়ুনের সমাধিতে আশ্রয় গ্রহণ করেন জাফর। পতন হয় মুঘল রাজত্বের। ১৫২৬–এ যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার এমন করুণ পরিসমাপ্তি হবে– কে জানত!

‘করতে হ্যায় উয়োহ ইস তরাহ জাফর দিল পে জফায়েঁ,

জাহির মেঁ ইয়ে জানো কি জফা কুছ নহিঁ করতে।’

জাফর নিজেও কি মেনে নিতে পেরেছিলেন এই ভাগ্য–বিড়ম্বনা? তিনি সম্রাট অবশ্যই, কিন্তু তা তো নিছক নামে! প্রকৃতপক্ষে ব্রিটিশদের পেনশনভোগী। তদুপরি, একজন কবি। সিংহাসনে বসেছেন ১৮৩৭–এ, কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই তাঁর কবিতাচর্চার শুরু– যৌবনেই। কবি হিসেবে পেয়েছেন সম্মান ও খ্যাতিও। তথাকথিত বিলাস ও প্রমোদে ডুবে থাকার প্রচলিত ভাষ্যের প্রাবল্যে প্রায়ই আড়ালে থেকে যায় তাঁর দীর্ঘ কাব্যচর্চার কাহিনি। সম্রাটের মধ্যে লুকিয়ে যে কবি, তিনি কি মেনে নিতে পেরেছিলেন এই পরিণতি? ২১ সেপ্টেম্বর ক্যাপ্টেন হডসনের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন জাফর। প্রতিশ্রুতি পেলেন, প্রাণে মারা হবে না তাঁকে। তবে রেহাই পেলেন না জাফরের দুই পুত্র মির্জা মুঘল ও মির্জা খিজির সুলতান। তাছাড়াও, দরবারের বহু লোককে নির্বিচারে হত্যা করা হয়। জাফরকে ঘিরে শুরু হয় সাম্রাজ্যবাদীদের বিচার। অভিযোগ– ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, পেনশনভোগী হয়েও বিশ্বাসঘাতকতা, ইউরোপীয়দের হত্যায় সহায়তা প্রভৃতি। আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন জাফর। কিন্তু তা অনুকূলে যায়নি, বলাই বাহুল্য। ১৮৫৮–র মার্চ মাসে আদেশ হয়, নির্বাসনে পাঠানো হবে তাঁকে। তখন তাঁর বয়স তিরাশি বছর। সমসময়ের শ্রেষ্ঠ উর্দু কবি মির্জা গালিবের সমর্থন ছিল ইংরেজদের প্রতি। ফলে, দিনলিপিতে জাফর সম্পর্কে উল্লেখ খুব বেশি পাওয়া যায় না। তিনি লিখছেন– ‘আমি সম্রাট আর সম্রাট–তনয়দের পরিণতি সম্পর্কে কিছুই লিখিনি, অথচ এসব ঘটনা দিল্লি শহর বিজয়ের কথায় প্রথমেই লেখা উচিত ছিল। না লেখার কারণ একটাই। আমার সব কিছু ছিল কানে শোনা ঘটনা। আর ছিল শুনতে পাইনি এমন সব ঘটনাও।’ এই সব পড়ে মনে হয়, জাফরের প্রতি সহানুভূতি হারাননি গালিব। স্মৃতিতে কি উঁকি দিচ্ছিল একসঙ্গে কবিতাচর্চার দিনগুলি? ৭ অক্টোবর, ১৮৫৮। রায় ঘোষণার পর কেটে গেছে আরও কয়েক মাস। দিল্লি ছেড়ে রেঙ্গুনে নির্বাসনের পথে যাত্রা শুরু করলেন জাফর। শেষ মুঘল সম্রাট তিনি–প্রাক্তন হয়েছেন বছরখানেক আগেই। কিন্তু আজন্মলালিত দিল্লি শহর ছেড়ে এভাবে চলে যেতে হবে তাঁকে, আর ফিরতে পারবেন না কোনও দিন… কোনও টানাপড়েন কাজ করছিল কবির মনে? সেই বৃদ্ধ কি নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন? মনে পড়ছিল কি তাঁরই লেখা পুরোনো শের?

‘জখম্‌–এ–দিল পর নমক–ফিশানি হ্যায়,

অ্যায় জাফর, ইক মজা নিকলতা হ্যায়!’

সম্রাট নন, ততদিনে অসহায় এক বৃদ্ধ তিনি। সঙ্গীর সংখ্যা দিয়ে তাঁর দুর্ভাগ্যকে বিচার করতে যাওয়া অনুচিত। নইলে কে–ই বা ভেবেছিল, জাহাঁপনাকে দিল্লি ছাড়তে হবে গরুর গাড়িতে চেপে! সেই দিল্লি, যা তিনশো বছরের অধিককাল ধরে রাজধানী ছিল তাঁদেরই বংশের সাম্রাজ্যের। জাফরের সঙ্গে বন্দি হিসেবে রওনা দিলেন তাঁর জীবিত দুই পুত্র মির্জা জওয়ান বখত ও মির্জা শাহ আব্বাস, সঙ্গে জাফরের স্ত্রী–রা এবং আরও কয়েকজন মিলিয়ে মোট ৩১ জন। এলাহাবাদে পৌঁছে সেই সংখ্যা নেমে এল ১৫–তে। এলাহাবাদ থেকে মির্জাপুর, সেখান থেকে স্টিমারে চেপে বাংলার ডায়মন্ড হারবারে। ভাবতে অবাক লাগে, নির্বাসিত সম্রাট গঙ্গা ও পরবর্তীকালে হুগলি নদী ধরে শেষযাত্রা সম্পন্ন করছেন কলকাতারই গা ঘেঁষে। এই কলকাতার নিকটেই, মেটিয়াবুরুজে তখন নির্বাসিত আর এক শায়ের ও প্রাক্তন নবাব–ওয়াজেদ আলি শাহ। ‘যব ছোড় চলে লখনৌ নগরী’র বেদনা ও জাফরের দিল্লিত্যাগের পরিণতি কি একীভূত হয়েছিল কলকাতার বাতাসেই?

৪ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবার থেকে জাহাজে চেপে জাফর ও তাঁর সঙ্গীরা রওনা দিলেন রেঙ্গুনের পথে। ইতিহাস এ তথ্য খুব উল্লেখযোগ্য মনে করেনি, কিন্তু আমরা যেন না ভুলি, শেষ মুঘল সম্রাটের শেষ ভারতস্পর্শ ছিল এই বাংলারই ডায়মন্ড হারবার। এখান থেকেই চিরতরে দেশত্যাগ ঘটে তাঁর। পাঁচ দিন বাদে রেঙ্গুনে পৌঁছনো। দু’কামরার একটি ছোট বাড়িতে জাফর ও তাঁর পরিবারের থাকার ব্যবস্থা। মাসিক ভাতা মাত্র ১০ টাকা। তিন সপ্তাহ পর চার কামরার একটি কাঠের বাড়িতে স্থানান্তর। ১৬ বর্গফুটের একটি ঘর তাঁর শেষ ঠিকানা। অন্য ঘরগুলিতে তাঁরই স্ত্রী–পুত্ররা। জাফর উত্তেজনাহীন। বয়সের তুলনায় শারীরিকভাবে সুস্থ। কিন্তু মন? কাগজ–কলম নিষিদ্ধ। বারান্দায় বসে রেঙ্গুন নদীতে নৌ–চলাচল দেখছেন। মাথায় পঙ্‌ক্তি এলে, লিখছেন কীভাবে? দিল্লিতে বন্দি থাকাকালীন কাঠকয়লা দিয়ে দেওয়ালে লিখতেন। রেঙ্গুনেও কি তা–ই? জানা নেই। সময়ের ধূসরতা পেরিয়ে, আমাদের কাছে সম্বল বলতে হাহাকার–ভরা সেই শের–

“কিতনা হ্যায় বদনসিব ‘জফর’ দফ্‌ন কে লিয়ে,

দো গজ জমিন ভি না মিলি কু–এ–ইয়ার মে।”

১৮৬১–র নভেম্বরে, দেশ–বিদেশের একাধিক সংবাদপত্রে প্রকাশ পেল জাফর–সংক্রান্ত একটি সংবাদ। লেখা হলো, তিনি মৃত্যুপথযাত্রী। সে বছরের শীত পেরোতে পারবেন কি না সন্দেহ। সেসব অনুমান মিথ্যা করে পেরিয়ে গেল সেই বছরও। কাটল ১৮৬২–র অর্ধাংশও। সে বছর বর্ষার পর থেকে শরীর ভেঙে আসতে থাকে জাফরের। শেষের দিকে, বন্ধ হয়ে যায় খাওয়াদাওয়াও। ৭ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর। দিল্লি থেকে দূরে। অপমানিত, নির্বাসিত, অবহেলিত। মৃত্যুর পর, রেঙ্গুনে জাফরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রিটিশ অফিসার গোপনীয়তা বজায় রেখে, দ্রুত জাফরকে কবর দেন। বিকেল চারটেয়, ইট দিয়ে গাঁথা একটি কবরে জাফরকে সমাধিস্থ করা হয়, আর সেই কবরের উপর বসিয়ে দেওয়া হয় ঘাসের চাপড়া, যাতে অনতিকাল পরেই ঘাস ছেয়ে গিয়ে কবরটি লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে যায়। হারিয়ে গিয়েওছিল। বিশ শতকের গোড়ায় কিছু মানুষ ও তাদের দাবির প্রেক্ষিতে, একটি স্থান আন্দাজ করে সেখানে জাফরের স্মৃতিতে একটি ফলক বসানো হয়। আরও বেশ কয়েক বছর পর সেখানেই গড়ে ওঠে একটি মাজার। দশকের পর দশক কেটে যাচ্ছিল এভাবেই। ১৯৯১ সালের গোড়ায়, মাজারের পিছনে একটি ড্রেন খনন করতে গিয়ে কয়েকজন শ্রমিক আবিষ্কার করে ইটে গাঁথা জাফরের মূল কবরটি। ভিতরের কঙ্কাল অক্ষত। ততদিনে ১২৮ বছর পেরিয়ে গেছে। নয়ের দশকের গোড়ায় এসে আবিষ্কৃত হয় শেষ মুঘল সম্রাটের অন্তিম চিহ্ন। জীবিতাবস্থায় যে অবহেলা পেয়েছিলেন তিনি, মৃত্যুর পরেও তা ফুরোয়নি। যদি সেই কাকতালীয় ঘটনাটি না ঘটত? যদি আজও খুঁজে না পাওয়া যেত জাফরের (ছবিতে, রেঙ্গুনে নির্বাসিত দশায়) সেই মূল সমাধি? কারও কি সত্যিই যায় আসত কিছুই? এ কথার উত্তর সহজে দেওয়া মুশকিল। তাঁর কবি–পরিচিতি মাথায় রাখলে বেদনা ও ব্যঞ্জনা সুদূরপ্রসারী হয় আরও। জাফরের নির্বাসন তো শুধু একজন সম্রাটের নয়, কবিরও। তাঁকে ভুলিয়ে দেওয়ার ব্রিটিশ প্রয়াস আসলে কবির শেষ চিহ্নকেও মুছে দেওয়ার চেষ্টা। কিন্তু জাগতিক কবর যতই বিস্মৃতিতে ঠেলে দেওয়া যাক না কেন, মানুষের স্মৃতি থেকে জাফরের লেখালিখি মুছে দেওয়ার সাধ্য ছিল না ব্রিটিশদের। তাই বারবার ফিরে–ফিরে এসেছে তাঁর প্রসঙ্গ। সম্রাট হিসেবে শুধু নয়, কবি হিসেবেও। ‘আখরি শমা’য় জাফর নিজে উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু কী প্রবল উপস্থিতি ছিল তাঁর, প্রমাণ রয়েছে সেদিনের মুশায়েরার বর্ণনায়। সম্রাটের চাহিদা জানি না, কিন্তু একজন কবি, এর বেশি আর কী–ই বা চাইতে পারেন!

‘জিস কি তুঝকো জুস্তজু হ্যায়, ওহ তুঝি মেঁ হ্যায় জাফর,

ঢুঁঢতা ফির ফির কে তু ফির জা–বা–জা ক্যা চিজ হ্যায়।’

সেদিন হয়তো ইংরেজরা মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে নির্বাসিত করেছিল ইংরেজদের বিরোধিতা করার জন্য কিন্তু পরবর্তীতে সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের পথ ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের অসংখ্য মানুষ ইংরেজদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকেই তাদের বিতাড়িত করেছিল। তাই ইতিহাসে সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের নির্বাসিত হয়ে রেঙ্গুনে বড় অসহায় হয়ে মৃত্যুবরণের আত্মত্যাগ বিফলে যায়নি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমুয়িন পারভেজের দুটি কবিতা
পরবর্তী নিবন্ধনোয়াগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা