মহানবী (দ.) এর আদর্শ অনুসরণেই মানবজাতির মুক্তি

কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম | বুধবার , ২৬ আগস্ট, ২০২৬ at ৬:০২ পূর্বাহ্ণ

আজ থেকে দেড় হাজার বছরেরও বেশি আগে মানুষ যখন দিশাহারা, দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল এবং যখন ন্যায়বিচার, মানবতা ভূলুণ্ঠিত হয়ে পড়ে ঠিক তখনই মুক্তির বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব প্রিয়নবী, বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (.)। অন্ধকারে নিমজ্জিত বর্বর একটি জাতিকে সারা বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর জাতিতে পরিণত করেছিলেন তিনি। বিশ্ববাসী বহু আকাঙ্ক্ষিত মুক্তির ঠিকানা খুঁজে পায়। মানবজাতিকে সঠিক পথের দিকে আহবান করেছেন জীবনভর। মানুষের কল্যাণে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে এগিয়ে গিয়েছেন এবং সফলকাম হয়েছিলেন। চরিত্র গঠন ও সফলতা লাভের জন্য সকলের উচিত একমাত্র রাসূল (.) এর আদর্শ অনুসরণ করা। মহানবী (.) এর আদর্শে জীবন গঠনেই শান্তি এবং মুক্তি। মানবজাতির জন্য তাঁর আদর্শ অনুসরণেই মুক্তি নিহিত। মানুষের জীবনকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য রাসূলুল্লাহ (.) এর কর্মময় জীবনের বিভিন্ন বিষয়ের প্রাসঙ্গিক ও ব্যবহারিক সুন্নত বা কর্মনীতিগুলো মুসলমান তথা গোটা মানবজাতির জন্য সুন্দর, সুশৃংখল ও রুচিশীল জীবন যাপনের ক্ষেত্রে একমাত্র অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয় পাথেয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় রাসূল (.) এর আদর্শই আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তাতেই বিশ্ববাসীর জন্য কল্যাণ নিহিত। মানুষের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাসূল (.)কেই অনুসরণ করতে হবে। কারণ রাসূল (.) এর আদর্শ ছাড়া অন্য কোনো আদর্শ মানুষকে মুক্তি দিতে সক্ষম নয়। জীবনের প্রতিটি দিকের কার্যকর সমাধান রয়েছে শুধু প্রিয় নবী (.) এর জীবনেই। তাঁকে অনুসরণ করতে পারলেই মিলবে স্থায়ী শান্তি ও মুক্তি। দুনিয়ার জীবন যেমন সুন্দর হবে, তেমনি পরকালীন জীবনও হবে শান্তিময়। রাসূল (.) কে অনুসরণ না করে শুধু লোক দেখানো ভালোবাসায় কোনো সার্থকতা ও সফলতা নেই।

পূর্ববর্তী নিবন্ধহযরত মুহাম্মদ (দ.) : এক আদর্শের নাম
পরবর্তী নিবন্ধমিলাদুন্নবীর ঈদ (দ.)