টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যা হচ্ছে তাকে অন্যায় বলে মনে করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ এনেছেন তিনি। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পিসিবি প্রধান।
লাহোরে গতকাল শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমাদের অবস্থান সেটাই হবে, যেটা পাকিস্তান সরকার আমাকে নির্দেশ দেবে। প্রধানমন্ত্রী এখন পাকিস্তানে নেই। তিনি ফিরে আসার পর আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে পারব। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত। আমরা তাদের কথা মেনে চলি, আইসিসির কথা নয়।’
গত বুধবার আইসিসি বোর্ড সভায় ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ হেরে যায় ১৪–২ ভোটে। তখন ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবরে বলা হয়েছিল, নিজেদের বাইরে কেবল পাকিস্তানের ভোটই পেয়েছে বাংলাদেশ। নাকভির মতে, বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আপনার (আইসিসি) দ্বিমুখী নীতি থাকতে পারে না। একটি দেশের (ভারত) জন্য আপনি বলতে পারেন না যে, তারা যা খুশি তাই করতে পারে এবং অন্যদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত। এই কারণেই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি এবং স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, বাংলাদেশের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তাদের বিশ্বকাপে খেলা উচিত, তারা ক্রিকেটের বড় অংশীদার।
পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর আসছিল, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া হলে তাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাবে পিসিবি। এই প্রথম পিসিবির কেউ সরাসরি বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন। নাকভি বললেন, সিদ্ধান্তটি আর পিসিবির হাতে নেই। যদি পাকিস্তান সরকার বলে যে আমাদের (বিশ্বকাপে) খেলতে হবে না, তাহলে হয়তো আইসিসি (স্কটল্যান্ডের পর) ২২তম দল আনবে। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।












