ইসলামী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার চেতনার মধ্যে কারবালার শিক্ষা নিহিত

বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনারে বক্তারা

| রবিবার , ২১ জুন, ২০২৬ at ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ

নবী করিম (সা.) এর ইন্তেকালের মাত্র ৫০ বছরের ব্যবধানে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা যখন সরল পথ থেকে বিচ্যুত হচ্ছিল, এজিদের মতো চরিত্রহীন ব্যক্তি খেলাফত রাষ্ট্র্রব্যবস্থার কর্ণধার হয়ে বসছিল তখন রাসূলের নাতি হয়ে ইমাম হোসাইনের পক্ষে নীরব ভূমিকা পালন করা সম্ভব হয়নি। তিনি রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ইসলাম থেকে পৃথক করার ভবিষ্যৎ মারাত্মক পরিণতির কথা চিন্তা করে প্রতিবাদ করেছেন, এজিদের হাতে বায়আত করেননি; শেষ পর্যন্ত সপরিবারে কারবালা প্রান্তরে এক অসম যুদ্ধে নির্মম নিষ্ঠুর পন্থায় শাহাদত বরণ করেন। ইমাম হোসাইনের এই আত্মত্যাগ, কারবালার বিয়োগান্ত এই ঘটনা সেদিন ইসলামের পুনরুজ্জীবন এনেছিল এবং এই চেতনা যুুগে যুগে ইসলামের সত্যিকার মুসলমানদের সামনে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য চিরন্তন প্রেরণা ও আলোকবর্তিকা হয়ে রয়েছে। কারবালার শিক্ষা : মুসলিম উম্মাহর বর্তমান ও ভবিষ্যত শীর্ষক সেমিনারে আলোচকগণ উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। ১০ই মহররম আশুরাকে সামনে রেখে ঢাকা ফার্মগেটস্থ বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র গতকাল এ সেমিনারের আয়োজন করে। মাদ্রাসাআলিয়া ঢাকার প্রিন্সিপাল প্রফেসর মওলানা মুহাম্মদ উবায়দুল হকের সভাপতিত্বে ও বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রাহবারে বায়তুশ শরফ আল্লামা শায়খ আবদুল হাই নদভী। প্রবন্ধ পাঠ করেন দাউদকান্দি জুরানপুর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম আবদুল হামিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের সাবেক এমডি ইতিহাস গবেষক আবদুল মান্নান, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মালেক মোল্লা প্রমুখ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিগত সরকার ৩০ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ রেখে গেছে
পরবর্তী নিবন্ধগ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরে পানি, দোকানিকে জরিমানা