চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশে প্রবর্তক সংঘ (বাংলাদেশ) প্রাঙ্গণে ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবনির্মিত পূজামণ্ডপের উদ্বোধন করা হয়েছে। দেশের অন্যতম মানবসেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রবর্তক সংঘের এই নতুন পূজামণ্ডপ উদ্বোধনকে ঘিরে সকাল থেকেই সংঘ প্রাঙ্গণে তৈরি হয় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের আবহ।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পূজামণ্ডপটির উদ্বোধন করেন শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের মহন্ত মহারাজ কালীপদ ভট্টচার্য্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ। গীতা যজ্ঞ ও গীতাপাঠ অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ। প্রবর্তক সংঘের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্দু নন্দন দত্তের সভাপতিত্বে পরে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন পূজামণ্ডপ উদ্বোধন উপ–পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরী। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সংঘের সম্পাদক চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. প্রকাশ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও সংঘের আজীবন সদস্য প্রফেসর ড. পীষুশ দত্ত, সংঘের আজীবন সদস্য গোবিন্দ প্রসান মহাজন এবং সংঘের আজীবন সদস্য অমিত হোড়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উদযাপন পরিষদের সমন্বয়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ এবং সংঘের আজীবন সদস্য এডভোকেট তৃষ্ণা ভট্টচার্য্য। আলোচনা সভায় মহারাজবৃন্দ বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রবর্তক সংঘে এত মনোরম পূজামণ্ডপ নির্মিত হওয়ায় সংঘের শিক্ষক–শিক্ষিকা এবং সব নিবাসী ছাত্র–ছাত্রীর মধ্যে মানবিক শিক্ষার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ভাবধারায় উজ্জীবিত হয়ে জীবনকে বিকশিত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তারা মানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী পরিষদের সদস্য ড. রনজিত চৌধুরী, ডা. বিদ্যুৎ বিশ্বাস, লায়ন তপন কান্তি দত্ত, প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার দাশ, এডভোকেট পরিমল চন্দ্র বসাক প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












