পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় সব ক্ষেত্রে রয়েছে প্রতিবাদের স্তর। পাশাপাশি প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে ন্যায্যতার পরিমাপ। তাই কখনো কোনো ক্ষেত্রে অসংঙ্গতি দেখা দিলে নাগরিক হিসেবে দেশের মানুষ ঊন্মুক্তভাবে প্রতিবাদ করতে পারে এবং সেটাই নাগরিকে অন্যতম অধিকার। কিন্তু কখনো কোনো অধিকার লঙ্ঘন হলে প্রত্যেক নাগরিকের উচিত সুন্দর প্রতিবাদ করা। ভাষায় শালীনতা এবং যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ দাঁড় করানো। পাশাপাশি নাগরিকের অধিকারগুলো যথাযথভাবে ভোগ করার সুযোগ দেওয়া রাষ্ট্রের একান্ত কর্তব্য। নাগরিকের প্রতিবাদকে সাদরে গ্রহণ করাই হলো উপযুক্ত রাষ্ট্র নায়কের উদাহরণ। আর নাগরিকের অধিকার পৌঁছে দেওয়া হলো আমানত। নাগরিক এবং রাষ্ট্র প্রধানের যৌথ সহযোগিতায় দেশের মান উন্নয়নে সবচেয়ে ভূমিকা রাখে। অতএব, প্রত্যেক নাগরিকের উচিৎ শালীনতা বজায় রেখে প্রতিবাদ জানানো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়া রাষ্ট্র প্রধানের কর্তব্য হলো নাগরিকের যথাযথ অধিকার পৌঁছে দেওয়া।
আবদুর রশিদ
শিক্ষক,
উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি। সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।













