পরিবেশ রক্ষার বার্তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে

চবিতে গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়ামে উপ-উপাচার্য

| রবিবার , ২৮ জুন, ২০২৬ at ৬:২২ পূর্বাহ্ণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস এবং হযরত শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (.)-এর ২০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে চবিতে জলবায়ু সচেতনতা ও আধ্যাত্মিক দর্শনের এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। চবির ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিরি)-এর যৌথ উদ্যোগে গত ২৫ জুন ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের কনফারেন্স কক্ষে দিনব্যাপী বিশেষ গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম অন ওয়ার্ল্ড এনভায়রনমেন্ট ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপউপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলআমীন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নুরুল ইসলাম। ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী মো. বরকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, চবি উপউপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এম মাসুদুল আজাদ চৌধুরী এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ডিরি) ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী। সিম্পোজিয়ামে কনভেনারের দায়িত্ব পালন করেন চবি ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল সরোয়ার এবং কোকনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক।

প্রধান অতিথি বলেন, পরিবেশ রক্ষা এবং ক্লাইমেট অ্যাকশনের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক উভয় দৃষ্টিভঙ্গিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দীর্ঘ গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি নব্বইয়ের দশক থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও জিআইএস নিয়ে গবেষণা করছি। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক রিসার্চ পেপার লিখলেও মাঝে মাঝে আফসোস হয় যে, পরিবেশের অবক্ষয় রোধে মানুষকে সহজে জাগানো যাচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষের স্বভাব হলো, যতক্ষণ নিজের গায়ে বিপদ না পড়ে, ততক্ষণ তারা সচেতন হয় না।

তিনি শিক্ষার্থীদের চমৎকার পোস্টার প্রেজেন্টেশন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পরিবেশ রক্ষার এই বার্তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি উপউপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পৃথিবীতে মানব অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো জলবায়ু পরিবর্তন। স্বাগত বক্তব্য দেন, আহবায়ক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল সরোয়ার। ডিরি’র পক্ষে বক্তব্য দেন, মেম্বার সেক্রেটারি ড. কাজী সাইফুল আচফিয়া। আলোচনায় অংশ নেনপ্রফেসর ড. অলক পাল, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ, প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন, প্রফেসর ড. মো. শাহীনুর রহমান, প্রফেসর ড. এ এইচ এম রায়হান সরকার, প্রফেসর মোহাম্মদ শের মাহমুদ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী, অধ্যাপক মুনমুন নেছা চৌধুরী। অধ্যাপক ড. তাজ সুলতানা ও প্রভাষক মোহাম্মদ আলীর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপটিয়ার তেকোটায় পরিমল-বিণা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ
পরবর্তী নিবন্ধপ্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার