টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নারী ও তরুণদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম–৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে এবং একটি জবাবদিহিমূলক ও সহনশীল সমাজ কাঠামো গড়ে তুলতে তরুণ ও নারীদের সক্ষমতাকে কাজে লাগানো এখন সময়ের দাবি।
গত সোমবার দুপুরে নগরীর আগ্রাবাদ হোটেলের হল রুমে ‘এসডিজি–৫ ও এসডিজি–১৬ বিষয়ক এসডিজি মডেল ডিসেমিনেশন সেশন’–এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে এসডিজি–৫ (লিঙ্গসমতা) ও এসডিজি–১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান) বাস্তবায়নে নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব জোরদারকরণ কর্মসূচির আওতায় এ সেশনের আয়োজন করা হয়।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও প্রত্যাশার যথাযথ প্রতিফলন ঘটলেই টেকসই উন্নয়ন অর্থবহ হয়। পরিকল্পনা প্রণয়ন থেকে বাস্তবায়ন–প্রতিটি পর্যায়ে তরুণ ও নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তাদের মতামত ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে মূল্যায়নের মাধ্যমেই স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসনের ভিত্তি মজবুত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে নারীর নেতৃত্বের সুযোগ বাড়ানো এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করা গেলে গণতান্ত্রিক চর্চা আরও বেগবান হবে। অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা ছাড়া টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা স্থানীয় পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। তারা বলেন, তরুণী ও স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের ক্ষমতায়ন এবং নারীর নেতৃত্ব বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা গেলে এসডিজি বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে। সভায় নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সুশাসন জোরদারের লক্ষ্যে একটি স্থানীয়কৃত এসডিজি মডেল উপস্থাপন করা হয়।
ইউএনওপিএস ও ইউএন উইমেন যৌথভাবে ‘জয়েন্ট এসডিজি ফান্ড’–এর সহায়তায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, তরুণ নেতা, শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি নাজিমুল হক, শিরিন সুলতানা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












