চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ার নিমতল মাজার গেইট এলাকায় বর্ষা মৌসুমে সড়কের উপর দিয়ে অতিরিক্ত পানি প্রবাহের ফলে দেবে গেছে মহাসড়ক। সড়কের পাশ ঘেঁষে মাটি সরে যাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে ব্যস্ততম এ মহাসড়কটি। অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের স্থাপিত গার্ড রেইলগুলো বিভিন্ন সময় গাড়ির ধাক্কায় ভেঙে গিয়ে একপাশে পড়ে আছে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে মহাড়কটি।
তবে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে সড়ক চার লেইনে উন্নীতকরণ ও দুর্ঘটনারোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা যায়। পটিয়ার নিমতল মাজার গেইট এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক থাকার কারণে স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সড়ক বিভাগ থেকে ওই স্থানে লাগানো হয়েছে সাইনবোর্ড। ওই এলাকাটিতে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটে। সড়ক বিভাগ ওই স্থানে স্পিডব্রেকার স্থাপন করেছে। স্পিডব্রেকার ও গার্ড রেইল দেওয়ার পরও থেমে নেই দুর্ঘটনা।
স্থানীয় মো. সেলিম উদ্দিন জানান, বিগত ২৫–৩০ বছর যাবতই এ স্থানটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। পর পর দুইটি বাঁকের কারণে প্রায় সময়ই এখানে ছোটখাট সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এ অবস্থায় গার্ড রেইল ভেঙে যাওয়া ও সড়কের পাশ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় মোড়টি অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত বর্ষা মৌসুমেই সড়কের পাশ থেকে মাটি সরে গেছে।
গাড়ির হেলপার মো. নুরুল হাসান জানান, এখানে শুধু সড়কের পাশ থেকে মাটি সরেনি। মূল সড়কটিও এক পাশে দেবে গেছে। এ অবস্থায় দ্রুত সংস্কার ও প্রয়োজনীয় মেরামত করা না হলে, যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটনার সম্ভবনা রয়েছে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, গাড়ির ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত গার্ড রেইলগুলো মেরামত করা সম্ভব হয় না। যার কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে নতুন গার্ড রেইল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছি। তাছাড়া পটিয়ার ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ যে সব বাঁক রয়েছে, এসব বাঁকগুলোকে চার লেইনে উন্নীত করে দুর্ঘটনারোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রক্রিয়ার বাকি কাজগুলো শেষ হলেই সড়কের মাঝখানে ওয়াল দিয়ে এসব স্থানে সড়ককে চার লেইনে উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।











