দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয়জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৯০২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত এ রোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ২০৬ জন ভর্তি হয়েছেন; দক্ষিণ সিটিতে ভর্তি হন ২২৩ জন। দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি হন ৪০১ জন। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ২১৬ জন, চট্টগ্রামে ২৭২ জন, খুলনায় ৩০৬ জন, ময়মনসিংহে ৯৮, রাজশাহী ১০৫, রংপুরে ৬৬ এবং সিলেটে ৯ জন ভর্তি হয়েছেন। বুলেটিনের তথ্য অনুসারে, গেল ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮৮ জন ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। খবর বিডিনিউজের।
চলতি বছর ৮৮ হাজার ৩৬০ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৩৩৫ জন হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। বুলেটিন অনুসারে, চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন এবং ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তিনজনের মধ্যে দুজন চট্টগ্রাম বিভাগে; আরেকজন ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ১ হাজার ২৬ জনের মৃত্যু হলো। এর বাইরে ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। সে হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সংক্রামক এ ব্যাধি এবং এর উপসর্গ নিয়ে নিয়ে ১ হাজার ১২৮ জনের মৃত্যু হলো।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুসারে, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৩৬ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৪২ জন। সরকারের হিসাবে, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি, ৪৬৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৭৯ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮০, চট্টগ্রামে ৮৮, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪৪ ও রংপুর বিভাগে ১৬ জন মারা গেছেন। বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ২৯৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এর মধ্যে ভর্তি হয় এক হাজার ১৭৯ জন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৮৩ জন, চট্টগ্রামে ২৭৮, সিলেটে ১৫০, বরিশালে ১২৪, খুলনায় ১০০, ময়মনসিংহ ৬৯, রাজশাহীতে ২৭ ও রংপুরে ৪৮ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।












