সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট আব্দুল্লাহ ঘাটা এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা চালিয়েছে ওই এলাকায় অস্থায়ীভাবে বসবাসরত নারী–পুরুষেরা। গতকাল সোমবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলামের কঠোর হস্তক্ষেপে মহাসড়ক থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয় বিক্ষুব্ধ অবরোধকারীরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন ওই এলাকায় কিছু যুবকের মধ্যে টাকা–পয়সা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটে এবং দুই যুবক আহত হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারী–পুরুষসহ সবাই মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড থানার ওসিসহ হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে সরে যেতে অনুরোধ করলে তারা পিছু হটে।
এদিকে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কথায় কথায় মহাসড়ক অবরোধ করা একটি বাজে রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। বাসাবাড়িতে ঝগড়া হলেও মানুষ সড়কে উঠে আসে। নিজেদের সমস্যা বাড়িতে বসে সমাধান না করে মহাসড়ক অবরোধ করা কোনোভাবেই ঠিক নয়। এই ধরনের রেওয়াজ বন্ধ করতে হবে, না হলে আগামীতে এর ভয়াবহতা বাড়বে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, বিকেল পাঁচটার দিকে ওই এলাকায় অস্থায়ীভাবে বসবাসরত যুবকদের দুই গ্রুপের মধ্যে টাকা–পয়সা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের যুবক আহত হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারী–পুরুষ মিলে মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছিল। আমি আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি এবং বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি।
ওসি আরও জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে কারও নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি, কেউ অভিযোগ করতে আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।












