জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর

| সোমবার , ২৪ আগস্ট, ২০২৬ at ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ

চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হবে। শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর। চলিত বছর অষ্টম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চারটি বিষয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল গতকাল রোববার বিকালে এ তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ৮ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সূচি সমপ্রতি অনুমোদিত হয়েছে। এর আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সূচি নির্ধারণ করা হয়। খবর বিডিনিউজের।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্বঘোষিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে এ পরীক্ষা কিছুটা এগিয়ে এনে সূচি চূড়ান্ত করা হল। অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ভিত্তিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এ পরীক্ষা। ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর রোববার গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

এবার মোট ৪০০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। চার বিষয়ের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিন বিষয়ের প্রতিটির পরীক্ষাই হবে ১০০ নম্বরে। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য সময় দেওয়া হবে তিন ঘণ্টা। শেষ দিনে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। দুই বিষয়ের জন্য মোট তিন ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় থাকবে এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

সূচির নির্দেশনা বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার কমপক্ষে সাত দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে সংশ্লিষ্ট বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষায় বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধগুমের মামলায় ফজলে করিমসহ দুজনের নামে প্রতিবেদনের সময় নির্ধারণ
পরবর্তী নিবন্ধবঙ্গভবনে সপরিবারে নতুন রাষ্ট্রপতি