হাটহাজারী ছিপাতলী জামেয়া গাউছিয়া মূঈনীয়া কামিল মাদরাসা ও গাউছিয়া শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ছিপাতলী দরবারে কাদেরীয়া চিশতীয়া আজিজিয়া আলীয়া শরীফের ব্যবস্থাপনায় ৩২তম পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদ–এ–মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে ১২ দিনব্যাপী মিলাদুন্নবী (দ.) সম্মেলনের সমাপনী দিন গত মঙ্গলবার নানা আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে।
ছিপাতলী জামেয়া গাউছিয়া মূঈনীয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ শাহ্সূফি অধ্যক্ষ আল্লামা আবুল ফরাহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আল কাদেরীর (মা.জি.আ.) সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা মাওলানা আবু ছালেহ মুহাম্মদ গোলাম কাদের আল আযহারী, শাহজাদা মাওলানা আবু রায়হান, মুহাম্মদ গোলাম মুঈনুদ্দিন কাদেরী। প্রধান আলোচক ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম ছোবহানীয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা কাজী মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন আশরাফী (মা.জি.আ), চট্টগ্রাম ছোবহানীয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ আশরাফী (মা.জি.আ), কুলগাঁও আল আমিন হাশেমী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন মুফতি কাযী মুহাম্মদ শাহেদুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ)। এছাড়াও মাহফিলে ছিপাতলী গাউছিয়া মূঈনীয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিছ, মুফাচ্ছির ও সকল শিক্ষকবৃন্দ নূরানী তকরির করেন।
এতে সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা অধ্যক্ষ আবুল ফরাহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আল কাদেরী বলেন, হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত এক অসীম রহমত। তাঁর এই সার্বজনীন রহমত কেবল কোনো বিশেষ জাতি, ধর্ম বা মানবগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা মানবজাতি, জিন, পশুপাখি, এমনকি সমগ্র প্রকৃতির জন্য বিস্তৃত ছিল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












