চবিতে চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ

চবি প্রতিনিধি | মঙ্গলবার , ১১ আগস্ট, ২০২৬ at ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং চবি ক্যাম্পাসকে সবুজ ও প্রাণবন্ত করে তুলতে সোহরাওয়ার্দী হল, অতীশ দীপঙ্কর হল ও শামসুন্নাহার হলে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। তিন হলে মোট ৫২০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের সার্বিক আয়োজনে এ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেছেন আওয়ার গ্রিন ক্যাম্পাস ও ইয়ুথ থ্রিআর সোসাইটি চবি। গতকাল সোমবার সোহরাওয়ার্দী হল থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

কর্মসূচিতে সাবেক উপউপাচার্য (প্রশাসন) ও চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো আছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে থাকে। আমরা যখন একটা গাছ লাগাচ্ছি, এটা শুধু গাছ না, এটা একটা জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অধ্যাপক ড.মো. কামাল উদ্দিন বলেন, আমরা ডেভেলপমেন্টও চাই, পরিবেশও চাই। দুইটার মধ্যে সমন্বয় করেই আমাদের কাজগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে। চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, একটা গাছ রোপণ করে দিয়ে চলে গেলাম, এরপরে হয়তো গেটে যেতে যেতে এই গাছ থাকবে না, যদি অভিভাবকত্ব না থাকে। এই অভিভাবকত্ব নিয়ে যদি গাছ রোপণ করতে পারেন, তাহলে সেটা টিকবে। তিনি বলেন, আমরা পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ করব। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছের বৈচিত্র্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার ইউনিভার্সিটিতে তো লক্ষ লক্ষ গাছ আছে, বাট ভ্যারাইটি কত আছে সেটা নিয়ে একটু ভাবা উচিত। এবং আমাদের দুর্লভ প্রজাতির গাছগুলোকে এখানে ঠাঁই দেওয়া উচিত। কর্মসূচির আয়োজক চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, গত আট বছরে দেশের ৩৫টি জেলায় ২ লাখের বেশি বৃক্ষরোপণ করেছে সংগঠনটি। এ কাজে দেশব্যাপী চার শতাধিক তরুণের একটি স্বেচ্ছাসেবক দল যুক্ত রয়েছে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বিলুপ্তপ্রায় গাছ সংরক্ষণ, বিরল প্রজাতির বৃক্ষ রক্ষা এবং নদী ও পাখি সংরক্ষণেও কাজ করে যাচ্ছে চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট আব্দুল মান্নান, শামসুন্নাহার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. বেগম ইসমত আরা হক এবং অতীশ দীপঙ্কর হলের প্রভোস্ট এ.জি.এম. নিয়াজ উদ্দিন বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক নুরনবী, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের প্রভাষক সাইদুর রহমান, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক নাজনীন আক্তার নীলু, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের কর্মকর্তা মো. দাউদ নবী প্রমুখ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে মেন্টাল হেলথ ফেস্ট
পরবর্তী নিবন্ধবাংলাদেশ জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে