চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

আয়েশা পারভীন চৌধুরী

শুক্রবার , ২২ নভেম্বর, ২০১৯ at ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
120

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের শিক্ষাগত ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। কিন্তু আমাদের এই গর্বের ধন এবং শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে যে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী নাম ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে যাচ্ছে সেই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার পিছনের ইতিহাস অনেকেরই অজানা। চট্টগ্রাম শহর থেকে সেই সুদূর হাটাজারীর পাহাড় ঘেরা গ্রাম্য পরিবেশে কীভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল তার অতীত জানার আগ্রহেই এই লেখা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবির তাৎপর্য ও ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করে সর্বপ্রথমে বক্তৃতা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংগঠনী কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আহমদ হোসেন। পাকিস্তানের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম কলেজকে কেন্দ্র করে প্রদেশের তৃতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনার সুষ্পষ্ট উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সরকারের গড়িমসির তীব্র সমালোচনা করেন এবং স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদদের স্বার্থে একটু সুষ্ঠু ও গবেষণা প্রসূত পরিকল্পনার বিশিষ্ট ধারার অহেতুক ও যথেচ্ছ রদবদল দেশের সমূহ অমঙ্গল ডেকে আনবে বলে তিনি সরকারকে সতর্ক করে দেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠনী কমিটির দাবির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানিয়ে তিনি চট্টগ্রাম হতে নির্বাচিত সকল এম.এন.এ, এম.পি.এ. ও মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, “যদি ব্যর্থ হন তাহলে যে যার স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন।” চট্টগ্রাম শহর সকল ধর্ম, বর্র্ণ, সম্প্রদায় এবং অঞ্চলের মানুষের একটি আদর্শ আবাসস্থান। তাছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ও অঞ্চলের মানুষের একটি পছন্দের শহর। এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অধ্যাপক এ.বি.এম. সুলতানুল আলম চৌধুরী তাঁর এক তেজোদীপ্ত ভাষণে বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র উপযুক্ত স্থান এই জন্য যে এই নগরীতে বিশ্বের সকল দেশের সকল জাতির লোক বসবাস করে এবং একজাতি অপর জাতিকে জানিবার ও চিনিবার সুযোগ পায়।” এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পিছনে যারা আন্দোলন ও সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিল সেই মহান ছাত্রসমাজকে আরো কঠিন ও জোর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে বাদশা মিয়া চৌধুরী এম.কম, টি.কে জোর দাবি উত্থাপন করে বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হইলে শুধু চট্টগ্রামবাসীরা লাভবান হইবে না বরং সমগ্র পাকিস্তানবাসী ইহাতে লাভবান হইবে।” তিনি চট্টগ্রাম শহরের ক্রমবর্ধমান সার্বিক উন্নতির কথা ব্যাখ্যা করে বলেন, “চট্টগ্রাম অচিরেই বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধশালী নগরীতে পরিণত হইবে। সুতরাং যৌক্তিকতার দিক বিচার করিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাই উচিত ছিল। আপামর জনসাধারণকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরদার করে প্রখ্যাত আইনজীবী, চট্টগ্রাম ল কলেজের অধ্যক্ষ এ্যাডভোকেট ইউ,এন. সিদ্দিকী বলেন, “আমরা দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জোর প্রচেষ্ঠা চালাইয়া যাইব এবং সর্বোতভাবে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার এই বিশিষ্ট ধারার রদবদলের যাবতীয় প্রচেষ্ঠা রোধ করিব।” এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অযথা সময় নষ্ট না করতে তৎকালীন সরকারকে বিনীত অনুরোধ জানিয়ে রফিক উল্লাহ চৌধুরী বি.কম বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পিছনে নিরপেক্ষ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানির সমর্থন রহিয়াছে।” ডা: এম.এ. মান্নান ও মি. এইচ.এম.এ সগীর দলমত নির্বিশেষে সকলকে চট্টগ্রামের বৃহত্তর স্বার্থের খাতিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবী জোরদার করতে অনুরোধ জানান। এছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ সমূহের ছাত্র প্রতিনিধিরা জোর সমর্থন করে তাদের প্রাণের দাবিটি তুলে ধরে। সভার সভাপতি ফজলুল কবীর চৌধুরী এই যৌক্তিক দাবিটি বাস্তবায়ন করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহবান করে। চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের স্থানে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হওয়ার পর ১৯৬১ সালের ৭ মে স্থানীয় মুসলিম হলে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধান অতিথির ভাষণে চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত প্রকাশ করেন এবং তা বাস্তবায়নের পক্ষে “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ” গঠন করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালের ৩০ ডিসেম্বর “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” নামে আরেকটি পরিষদ গঠিত হয়। এই সকল সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও স্মারকলিপি প্রদান, পত্রপত্রিকায় বিবৃতি, সেমিনার অনুষ্ঠিত হতে থাকে। সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ১৯৬২ সালের ৯ ডিসেম্বর লালদিঘি ময়দানে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৩ সালের ৮ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়। ষাটের দশকে তৎকালীন পাকিস্তানের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৬০-১৯৬৫) প্রণয়নকালে চট্টগ্রামে একটি বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের স্থান হিসেবে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজকে সম্ভাব্য ক্যাম্পাস হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ১৯৬২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনশিক্ষা উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌস খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরী করেন। ১৯৬২ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ফজলুল কাদের চৌধুরী এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাধারণ প্রতিশ্রুতি দেন এবং তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালের ২৯ নভেম্বর ফজলুল কাদের চৌধুরী পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার মনোনীত হলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এ.টি.এম মোস্তফাকে চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের অর্থ মঞ্জুর করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর এম ওসমান গণিকে চেয়ারম্যান এবং ডক্টর কুদরাত-এ-খুদা, ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, এম ফেরদৌস খান ও ডক্টর মফিজউদ্দীন আহমদকে সদস্য নির্বাচন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের “স্থান নির্বাচন কমিশন” গঠিত হয়। এই কমিশন হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের নির্জন পাহাড়ি ভূমিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান হিসেবে সুপারিশ করে। ১৯৬৪ সালের ১৭-১৯ জুলাই পাকিস্তানের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ফজলুল কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সভায় “স্থান নির্বাচন কমিশন” এর সুপারিশের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়। ১৯৬৪ সালের ২৯ আগস্ট পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৬৫ সালের ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের প্রাক্তন কিউরেটর ড. আজিজুর রহমান মল্লিক (এ আর মল্লিক) কে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প-পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। এরপর আজিজুর রহমান মল্লিক চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির ৩নং সড়কের “কাকাসান” নামের একটি ভবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের অফিস স্থাপন করেন। স্থপতি মাজহারুল ইসলামের “বাস্তকলা” প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়। প্রাথমিকভাবে ১টি দ্বিতল প্রশাসনিক ভবন, বিভাগীয় অফিস, শ্রেণিকক্ষ ও গ্রন্থগারের জন্য একতলা ভবন তৈরি করার পাশাপাশি শিক্ষক ও ছাত্রদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আরো যাদের অবদান স্মরণীয় তাদের মধ্যে অন্যতম- সর্ব জনাব নূর আহমদ, গভর্নর জাকির হোসেন, শেখ রফিকউদ্দীন আহমদ ছিদ্দিকী, প্রিন্সিপাল এ.এ. রেজাউল করিম, ব্যারিস্টার সাইফুদ্দিন আহমদ ছিদ্দিকী, মির্জা মোহাম্মদ ইস্পাহানী, আবুল খায়ের ছিদ্দিকী, জহুর আহমদ চৌধুরী, ড. এনামুল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুল খালেক, আবদুল্লাহ আল ছগীর, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এম.এ আজিজ, মইনুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ খালেদ, এড. সুলতান আহমদ, এম.এ জলিল চৌধুরী প্রমুখ। ১৯৬৬ সালের ২ নভেম্বর মাত্র ২০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এটি একটি উচ্চশিক্ষা ও উন্নতশিক্ষার আধারে পরিণত হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস এবং অর্থনীতি বিভাগ নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চলা শুরু হলেও পরবর্তীতে শিক্ষা, চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আইন বিভাগ সংযুক্ত করে এর পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে ঐ সময়ে উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সুবিধার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কলেজ পর্যায়ে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করতে হয়েছিল। জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগামে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি সরকারি বহু অনুষদভিত্তিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারী থানার ফতেহপুর ইউনিয়নের ১৭৫৩.৮৮ একর পাহাড়ি ও সমতল ভূমির উপর অবস্থিত। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। এই দেশের তৃতীয় এবং ক্যাম্পাস আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। সে সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্বাধীনতাপূর্ব প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে যেমন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার তেমনি স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে ২০১৬ সালের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনে এই শিক্ষার্থীদেরই কার্যকরী পদক্ষেপগুলো উল্লেখযোগ্য। সমগ্র বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে অবদান রেখে চলেছে। উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে এই গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বিশ্ব ইতিহাসে প্রশংসার দাবি রাখে।
লেখক : প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও শিক্ষক, ডাঃ ফজলুল-হাজেরা ডিগ্রী কলেজ, চট্টগ্রাম

x