চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ২৪ দশমিক ৯৬ শতক সরকারি জমি ভাড়া পরিশোধ না করে ভোগদখলে রেখে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজীর আহমেদ গতকাল এ তথ্য জানান। খবর বাসসের।
অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছেন আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ এবং চট্টগ্রাম গণপূর্ত উপ–বিভাগ–২, রহমতগঞ্জের সাবেক উপ–বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ–আলম ফারুক, বর্তমানে নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, বাগেরহাটসহ আটজন। দুদক জানায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা একে অপরের সহযোগিতায় অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হওয়া এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে জাল–জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে এসব রেকর্ডপত্র আসল হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি জমি ভোগদখলে রাখেন। অভিযোগে বলা হয়, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ২৪ দশমিক ৯৬ শতক সরকারি জমির বিপরীতে নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করে তা ভোগদখলে রাখা হয়। এর মাধ্যমে সরকারের ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আর্থিক ক্ষতি ও আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগে ক্ষমতার অপব্যবহার, জাল–জালিয়াতি, প্রতারণা, ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি ও তা খাঁটি হিসেবে ব্যবহার এবং সরকারি সম্পত্তি থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার বিষয়গুলোকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।












