কক্সবাজারের চকরিয়ায় মুখোশ পরিহিত সশস্ত্র ডাকাতদল বসতবাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত করেছে। এ সময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করায় তিনজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এর পর আলমিরা, ওয়ারড্রোব ভেঙে ৩ ভরি স্বর্ণ, ৩ লক্ষ নগদ টাকা, মোবাইলসহ দামি মালামাল লুট করে।
গতকাল রবিবার ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দুপাড়ার নারায়ণ কান্তি দে এর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, মৃত ফকির চাঁদ দে এর ছেলে গৃহকর্তা নারায়ণ কান্তি দে (৪৫), তার বড় ভাই বাঁশি মোহন দে (৪৮) ও তাঁর সন্তান প্রশান্ত দে (১৯)। ডাকাতদের হাতে আক্রান্ত নারায়ণ কান্তি দে জানান, রবিবার ভোররাত চারটার দিকে মুখোশ পরিহিত ৭–৮ সদস্যের একদল সশস্ত্র ডাকাত তাদের বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এ সময় বাধা দিতে গেলে ডাকাতদল ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বড়ভাই বাঁশি মোহন দে, তাঁর ছেলে প্রশান্ত দে ও তাকে গুরুতর জখম করে। ডাকাতরা আলমারি ও ওয়ারড্রোব ভেঙে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৩ লাখ টাকা, কয়েকটি মোবাইলসহ দামি মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।
এদিকে খবর পেয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ডাকাত কবলিত বাড়ি পরিদর্শন করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে।
বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. কাইছার উদ্দীন বলেন, বরইতলী ইউনিয়নে এমন দুর্ধর্ষ ডাকাতিসহ সশস্ত্র হামলার ঘটনা আগে ঘটেনি। তিনি জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানান।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।












