ফটিকছড়ির নাজিরহাট নতুন রাস্তার মাথা এলাকার একটি গ্যারেজে কিশোর শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ১২ বছর বয়সী নিহত নুর খান উপজেলার সমিতিরহাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চৌমুহনী এলাকার মৃত নুর খালেকের ছেলে। গত দুই মাস ধরে সে নাজিরহাট নতুন রাস্তার পশ্চিম পাশে খোরশেদ মিস্ত্রির সিএনজি গ্যারেজে মেকানিক হিসেবে কাজ করে আসছিল।
নিহতের মা নুর আশা অভিযোগ করে বলেন, বুধবার দুপুরে গ্যারেজ মালিক খোরশেদ মিস্ত্রি আমাকে ফোন করে বলেন–আমার ছেলের শরীর খারাপ লাগছে, সে নাকি বিদ্যুতের শট (বিদ্যুৎস্পৃষ্ট) খেয়েছে। এরপর আমাকে দ্রুত নাজিরহাট মেডিকেল (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ) আসতে বলে। আমি হাসপাতালে পৌঁছানোর পর খোরশেদ আমার ছেলের লাশ রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
নুর আশা আরও দাবি করেন, গ্যারেজ মালিকের কথাবার্তা এবং তড়িঘড়ি করে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সন্দেহজনক। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও খোরশেদ মিস্ত্রির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে গ্যারেজ মালিক খোরশেদ মিস্ত্রি পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আলম খান জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পলাতক গ্যারেজ মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোঁজা হচ্ছে।












