আদর্শ ও কল্যাণের পরশ পাথর রহমাতুল্লিল আলামীন

তাওহীদুল ইসলাম নূরী | বুধবার , ২৬ আগস্ট, ২০২৬ at ৬:০০ পূর্বাহ্ণ

হযরত মুহাম্মদ (.) আল্লাহর প্রেরিত বান্দা ও রাসূল। সমগ্র বিশ্বের মুক্তির ধারক, বাহক। যাকে সৃষ্টির ফসল আজ আমরা এবং গোটা পৃথিবী। মহান আল্লাহ তাঁর জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য করেছেন আদর্শ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন -“আমি রাসূল (.) এর জীবনে তোমাদের জন্য দিয়ে দিয়েছি সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ”এ থেকে আমরা রাসূল (.) কে আদর্শ হিসেবে গ্রহণের প্রেরণা পাই। এখন প্রশ্ন হল আদর্শ কী? আদর্শ হচ্ছে এমন একটা বিষয় যেটি অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয়। তাহলে বিশ্বনবীর জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের প্রথমে অনুসরণ এবং পরবর্তীতে অনুকরণ করতে হবে। সমস্থ পৌত্তলিকতার পূজা, অন্যায়, অত্যাচার, হত্যা, লুণ্ঠনের অপসময়ে “এক আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপনেই মানবতার মুক্তি” এই নিরেট সত্য যিনি প্রচার করেছিলেন, সেই মানবতার মুক্তির দিশারী হযরত মুহাম্মদ (.) কে অনুসরণ বৈ আল্লাহকে পাওয়া অসম্ভব। কোরআনের ভাষায়, “হে রাসূল (.) বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও, তবে নবীকে অনুসরণ কর। তাহলে আল্লাহ নিজেই তোমাদের ভালবাসবেন”। উপরের আয়াতদ্বয় থেকে আমরা এই সিদ্বান্তে উপনীত হতে পারি যে, সমগ্র বিশ্বের সকল বয়সের, সকল শ্রেণি পেশার মানুষের নিকট রাসূল (.) এর জীবন ছাড়া আর অন্য কারও জীবন অনুসরণীয়, অনুকরণীয় হতে পারে না। তাই জীবনের শুরু থেকে শেষ অবধি তাঁর আদর্শই আমাদের গ্রহণের প্রাণান্তকর চেষ্টায় রত থাকতে হবে। আল্লাহ বিশ্বনবীর জীবনী অনুসরণ, অনুকরণের মাধ্যমে আমাদেরকে দুনিয়া,আখিরাত উপযোগী একজন মানুষ হিসেবে কবুল করুন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী
পরবর্তী নিবন্ধআশেকে রাসূলের অন্তরে আনন্দের ঢেউ