আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হবে জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্পের কাজ। এরপর প্রকল্পভুক্ত ৩৬ খালের আশপাশের জায়গাগুলোতে জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, জলাবদ্ধতা নামে আমাদের যে সাফারিংসটা ছিল, সেটা ইনশাআল্লাহ এই বছর ৮০–৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাবে এবং আমরা এটার প্রপার সুফল দেখতে পাব। ফেব্রুয়ারি নাগাদ আমাদের এই প্রকল্প পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। ৩৬ খালের আশপাশে যে জায়গাগুলো আছে, এই জায়গাগুলোতে অনেকদিন ইনশাআল্লাহ জলাবদ্ধতা হবে না। তবে কথা থাকে, চট্টগ্রামে ছোট–বড় প্রায় ১৩০টি খাল আছে। বাকি যে খালগুলো আছে এগুলো নিয়ে দ্বিতীয় ফেজে সিটি কর্পোরেশন একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ওগুলো যদি হয়ে যায়, তাহলে বাকি যে ২০ শতাংশ জলাবদ্ধতার কথা আমরা এখন কনফিডেন্টলি বলতে পারছি না, সেটাও ইনশাআল্লাহ একসময় নিরাময় হয়ে যাবে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরের রাজাখালী আর্মি ক্যাম্পে প্রেস কনফারেন্স তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর তানভীর, সিডিএর প্রকল্প পরিচালক ও সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মদ মঈনুদ্দিন ও কনসালটেন্ট ফার্মের কর্মকর্তা মেজর (অব.) জিয়া।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, এ প্রকল্পে হিজরা খালের কাজটাই শুধু বাকি আছে। বাকি পাঁচটা খালের ২ শতাংশ করে কাজ বাকি আছে। ওভারঅল এই কাজের ৯৮% কমপ্লিট হয়ে গেছে। ৩৬টা খালের ভিতরে ৩০টা খালের কাজ ইতোমধ্যে কমপ্লিট করে ফেলেছি। বাকি যে ৬টা খাল, এই ৬টা খালের ভিতরে ৫টা খালের অলমোস্ট ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, এই বছর বৃষ্টিটা একটু আর্লি চলে এসেছে। আমাদের প্ল্যান ছিল, মে মাসের ভিতরে এই ৫টা খাল কমপ্লিট হওয়ার কথা। কিন্তু বৃষ্টির কারণে শেষের দিকের ফিনিশিং কাজগুলো করতে পারি নাই। এগুলো ইনশাআল্লাহ আগামী ডিসেম্বরের ভিতরে সম্পূর্ণ করতে পারব।
তিনি বলেন, হিজড়া খালের প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ৬৮ শতাংশ। চলমান রেইনি সিজনের ভিতরে যদি বাকি কাজ করি তাহলে এটার ইফেক্টের কারণে হয়তো জলাবদ্ধতা হতে পারে, এজন্য আমাদেরকে নিষেধ করা আছে। আপাতত হিজড়া খালে কাজ করছি না। শুষ্ক মৌসুমের শুরু থেকে আবার কাজ শুরু করব।
তিনি বলেন, হিজড়া খালে প্রায় ১২৭টা অবকাঠামো ছিল। যেগুলো ভেঙে খাল প্রশস্ত করতে হবে। হিজড়া খালের প্রশস্ততা ছিল সাড়ে তিন মিটার, সেটাকে ৯ মিটার পর্যন্ত বাড়াচ্ছি। এই খালের ডেপথ (গভীরতা) ছিল আড়াই মিটারের মতো, সেটাকে আমরা ৪ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত স্লোপ অনুযায়ী বাড়াচ্ছি। এই কাজটা কমপ্লিট করার জন্য ১২৭টা বিল্ডিং, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈধ, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবৈধ, ভাঙতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১২০টা বিল্ডিং ভেঙে ফেলেছি। বাকি যে বিল্ডিংগুলো আছে, আমরা হোপফুল যে চলমান মাসের ভিতরে এগুলো ভেঙে ফেলব।
মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের অবশিষ্ট কাজ, সেটা করার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে মোবিলাইজেশন করব এবং অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারির ভিতরে আমাদের যে রিমেইনিং কাজগুলো আছে, কিছু রিটেইনিং ওয়ালের কাজ বাকি আছে, ব্রিজের কাজ ধরেছিলাম কমপ্লিট হয় নাই, তিনটা সিল্ট ট্র্যাপের কাজ চলমান আছে, সেগুলো কমপ্লিট হয়নি। এই কাজগুলো কমপ্লিট করে ফেলব। এগুলো কমপ্লিট করলে হিজড়া খালের আশেপাশে যে জায়গাগুলোয় মাঝেমধ্যে অতিবৃষ্টি হলে হালকা জলাবদ্ধতা হয়, সেটা আর হবে না।
তিনি বলেন, ২৬–২৮ এপ্রিলের যে অতিবৃষ্টি, পরপর বৃষ্টি হওয়ার কারণে যে একটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, আমাদের চলমান কাজের মাঝখানে বৃষ্টি হওয়াতে হঠাৎ করে প্রবর্তক মোড়ে পানি উঠে গিয়েছিল। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করি। কাজ করার পর আজ পর্যন্ত সেখানে পানি উঠেনি।
তিনি বলেন, আজকে (মঙ্গলবার) একটা রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়। আমাদের প্রকল্পের যে ডিজাইন, আমরা হিসাব করেছিলাম ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও তেমন সমস্যা হবে না। যেহেতু আমাদের এঙপেক্টেশনের বাইরে বৃষ্টিপাত হয়েছে, প্রবর্তক মোড়ে নেই, এই একই খালের ভিতরে কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, মুরাদপুরের বাসস্টেশন, এই জায়গাটাসহ আরো দুই–একটা জায়গায় সাময়িকভাবে দুই–আড়াই ফুট পানি উঠেছে। এই পানিটা জলাবদ্ধতা আমি বলব না, কারণ আমাদের যে অ্যাসেসমেন্ট, বৃষ্টি থেমে গেলে এক থেকে দেড় ঘণ্টার ভিতরে পানিটা নেমে যায়।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, ২০২৩–এ চট্টগ্রাম শহরে ১২১টি জায়গায় জলাবদ্ধতা ছিল। তখন ৩৫–৩৬ ঘণ্টা লাগত এই পানিটা নিষ্কাশন হতে। আমাদের প্রকল্পের ইম্প্যাক্ট যখন আস্তে আস্তে শুরু হয়, ২০২৪–এ ১২১টা থেকে এটা নেমে আসে ৬১টাতে। ২০২৫–এ ১৭টাতে নেমে এসেছে। এই ১৭টা জায়গাকে অ্যাড্রেস করার জন্য হিজড়া খালের কাজটা নভেম্বরের দিকে নিই। এই ১৭ জায়গার ভিতরে এখন শুধুমাত্র চার–পাঁচটা জায়গায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২৮ এপ্রিলের পরে এখন পর্যন্ত, আজকের দিনের আগে আমরা দুই–একটা জায়গায় হালকা জলাবদ্ধতা দেখেছিলাম। এটা বেসিক্যালি ওই জায়গাটা নিচু। সামগ্রিকভাবে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যে যৌথ কমিটি গঠন করে দেওয়া আছে, সেখানে আলোচনার মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন ওই জায়গাগুলোকে এক–দুই ফিট করে রেইজ করে দিচ্ছে। যদি রেইজ করা হয় তাহলে কাতালগঞ্জ এবং কাপাসগোলায় আর পানি উঠবে না।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, আমি আশ্বস্ত করতে চাই, চলমান রেইনি সিজনকে ট্যাকল করার জন্য ১৬টি কুইক রিঅ্যাকশন টিম গঠন করেছি। যেখানে একেকটা টিমে ৬ জন করে সদস্য কাজ করছে, একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং আমাদের সার্ভিং সৈনিক, সার্ভেয়ার এবং ফোরম্যানসহ। দিন–রাত ১৬টা জায়গায় ভাগ করে টিমকে দিয়ে কাজ করাচ্ছি। এদের সাথে ৮–১০ জন করে লেবার এবং প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট দেওয়া হয়েছে। যেখানে সমস্যা হচ্ছে, সেখানেই আমার লোকজন অ্যাড্রেস করছে।
তিনি বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ভাসমান ময়লাগুলো থাকার কারণে অনেক সময় উইপ হোল বা ড্রেনের পাশের যে ছোট ছোট পাঞ্চগুলো থাকে এগুলো বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে রাস্তার পানিটা সাইডের ড্রেন এবং ড্রেন হয়ে পরবর্তীতে খালে যেতে পারে না। সেই সমস্যাটা ইনশাআল্লাহ এইবার হবে না।
প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগার কারণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই জাতীয় প্রজেক্ট কিন্তু বাংলাদেশে খুব কম। এটা একটা পাইলট প্রজেক্ট ছিল এবং ক্লাসিক্যালি চিটাগংয়ের যে সমস্যা, এই সমস্যাটা অন্য জায়গায় এ রকম প্রকট ছিল না। একটা সেট সিটির ভিতরে যে এঙিস্টিং খাল বা ড্রেন যেগুলো আছে, এগুলো কালের বিবর্তনে আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। একটা পরিপূর্ণ শহরের মাঝখানে যখন খাল খনন করে, খালকে বৃদ্ধি করে, বিল্ডিং ভেঙে, লোকজনের সাথে নেগোশিয়েশনের মাধ্যমে তার পৈত্রিক জমিটাকে বুঝিয়ে নিয়ে ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন করে যখন কাজ করতে যাব, এই চ্যালেঞ্জটা প্রকল্প বাস্তবায়ন করার আগে প্রকল্প পরিকল্পনা করেছে। পরিকল্পনা কমিটি ঠিক ওভাবে হয়তো চিন্তা করে নাই। যখন তারা কাজ করতে গেছে তখন তারা দেখল যে, না, এটা আসলে এভাবে সম্ভব না। ঠিক যে কারণে কাজটা সিডিএ নিজে না করে সেনাবাহিনীর হাতে দিয়েছে। হয়তো উনারা মনে করেছে এই কাজটা সেনাবাহিনীর পক্ষে করাটা ইজি। আমরা ওই সমস্যাগুলোকে দূরীভূত করে ২৪ ঘণ্টা কাজ করে, আমাদের ইউনিফর্মের প্রতি লোকজনের যে একটা আশ্বস্ততা, এটাকে কাজে লাগিয়ে, উনাদেরকে প্রয়োজন বুঝিয়ে কাজগুলো আস্তে আস্তে করে নিয়েছি। একটা সময় এসে আমরা প্রকল্পটা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছি।
মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, এই জাতীয় প্রকল্পের ক্ষেত্রে একটা লম্বা সময় অবশ্যই দরকার। কারণ, আমি একটা প্রকল্প পরিকল্পনা করব, করার পরে ওই প্রকল্পের জায়গা তৈরি করতে আমাকে দেড়–দুই বছর, তিন বছর লেগে যাচ্ছে। এরপরে যখন কাজ শুরু করব, কাজ শুরু করার একটা অবকাঠামোগত নির্মাণের সময় লাগে। এই সময়টা তো দিতে হবে। সো, এই কারণেই বেসিক্যালি সমস্যাটা হয়েছে, অন্য কোনো সমস্যা নাই।
প্রকল্পের মেয়াদ শেষে প্রকল্পভুক্ত খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা সিটি কর্পোরেশনের সাথে একটা যৌথ প্রকল্পে যাচ্ছি, যেটা বেসিক্যালি এই খালগুলোকে মেইনটেনেন্স করার জন্য। এক বছর বা দুই বছর তাদের সাথে যৌথভাবে কাজ করব। গত আট বছরে আমাদের যে অভিজ্ঞতা, কাজটা কীভাবে করতে হয়, কী কী ধরনের ইকুইপমেন্ট লাগে, কী কী ধরনের এঙপার্টিস লাগে, এটা আমরা গ্র্যাজুয়ালি তাদেরকে শেখাব। এরপরে বাকি তিন বছর তারা নিজেরাই করবে। এরপর থেকে এই খালগুলো যেহেতু সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বে থাকবে, তারা এই কাজটা করবে।
খাল পুনর্দখলের আশঙ্কা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমরা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি ভেঙেছি। সেটা বৈধ–অবৈধ দুটো মিলিয়ে। অবৈধগুলো তো ভাঙারই কথা, বৈধগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দিয়ে ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন করে ভেঙেছি। এটা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়েছে। যে জায়গাগুলো আমরা রিকভার করেছি, খালের অংশটাকে রিটেইনিং ওয়াল করে দিয়েছি। সুতরাং খালের অংশ পুনঃদখল করার কোনো সুযোগ নাই।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, যে জায়গাগুলোতে জনগণের চলাচলের ব্যবস্থা আছে বা রাস্তাঘাট আছে, সেই জায়গাগুলোতে রিটেইনিং ওয়াল করে দিয়েছি, যেন সেফটি–সিকিউরিটি থাকে। অবশিষ্ট অংশে খালগুলো পরিষ্কার করার লক্ষ্যে ইকুইপমেন্টগুলো নেওয়ার জন্য রাস্তা করে দিচ্ছি, যেটাকে আমরা বলছি সার্ভিস লেন। এই সার্ভিস লেন বা সার্ভিস রোড করার পরে অবশিষ্ট যে জায়গাটুকু থাকবে, এই জায়গাগুলোতে আমরা বৃক্ষরোপণ করে দেব।
মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, যদি ২৮ এপ্রিলের পরের ইন্সিডেন্ট বলি, তাহলে তিনটা জায়গায় পানি উঠত; কাপাসগোলার ব্রিজের দুই পাশে, কাতালগঞ্জের নবপণ্ডিত বিহার ও কাতালগঞ্জের জাতিসংঘ পার্কের এখানে। কাপাসগোলার ওই ব্রিজটা আমরা নতুন করে করব। ওই ব্রিজটা ড্রাই সিজনে শুরু করব। চকবাজারের দিকে একটা অংশ আর ওদিকে একটা অংশ; দুইটা অংশ অ্যাপ্রোচ রোডটা যখন করে দিব, আল্টিমেটলি এখানে আর পানি ওঠার কোনো সুযোগ নাই। যেহেতু খালের প্রশস্ততা তিন গুণ বেড়ে গেছে, এট দি সেম টাইম খালের আরো ৩০ শতাংশ কাজ বাকি আছে। এই খাল যখন কমপ্লিট হবে তখন ওখানে আর পানি ওঠার কোনো সম্ভাবনা নাই।
তিনি বলেন, কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারের যে জায়গাটা, এটা নিয়ে ড্রাই সিজনের আগে কাজ করার সুযোগ নাই। কারণ ওই জায়গাটা একটু নিচু জায়গা এবং অনেক বড় একটা ক্যাচমেন্টের পানি এসে ওখানে জমা হয়। আমাদের সাজেশন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন ওই জায়গাটাকে, রাস্তাগুলোকে দেড় ফিটের বা দুই ফিটের মতো উঁচু করবে। উঁচু করলে এই পানিটা সরাসরি হিজড়া খালে পড়ে যাবে এবং ওখানে আর জলাবদ্ধতা হওয়ার সুযোগ নাই। একই সাজেশন আমরা কাতালগঞ্জের জাতিসংঘ পার্কের সামনেও দিয়েছিলাম এবং উনারা রিসেন্টলি রাস্তাটা ডেভেলপ করেছেন।
তিনি বলেন, প্রকল্প এখনো ২% বাকি আছে এবং হিজড়া খালের কাজ আরো ২৩ শতাংশের মতো বাকি আছে। এগুলো হয়ে গেলে এই অংশও ৭০ থেকে ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতা হবে না।












