পাঁচ কন্টেনারে ৯১ টন এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্র্তৃপক্ষ। গতকাল সকাল ৯টায় অকশন শেডে শুরু হওয়া ধ্বংস কার্যক্রমে চট্টগ্রাম কাস্টমসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কর্মকর্তা, পরিবেশের অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, ৫ কন্টেনারে ৯১ কন্টেনার এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু কাস্টমসের অকশন শেডে রোলার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে প্লাস্টিক বোতলগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, নিলাম অযোগ্য পণ্য বন্দরের জন্য একটি বিশাল সমস্যা। অনেক সময় আইনি জটিলতায় নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করতে পারে না কাস্টমস। ফলে বন্দর ইয়ার্ডে এসব কন্টেনারের জন্য জট লেগে যায়। নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের জন্য কাস্টমসে স্থায়ীভাবে একটা স্থান নির্ধারণ করা উচিত। স্থান না থাকার কারণে ধ্বংস কার্যক্রম সময় মতো করতে পারছে না চট্টগ্রাম কাস্টমস।
নিলাম শাখা সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে তাকে নোটিশ দেয় কাস্টমস। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সর্বমোট ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার এই নিয়ম দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর করতে পারেনি বন্দর ও কাস্টমস। এতে করে বন্দরের ইয়ার্ডে এসব কন্টেনার পড়ে থাকে। অন্যদিকে আমদানিকারক যথাসময়ে পণ্যভর্তি কন্টেনার খালাস না করলে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের ব্যাঘাত ঘটে। এক্ষেত্রে পচনশীল পণ্যভর্তি কন্টেনার একটি বড় সমস্যা। খালাস না হওয়া এসব কন্টেনার শিপিং কোম্পানির জন্যও বিপদের। কারণ এসব কন্টেনারে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে হয়। আমদানিকারক খালাস না নিলেও বৈদ্যুতিক সংযোগ চাইলেও বিচ্ছিন্ন করা যায় না।












