কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ান–এ প্রমোশনের লড়াইয়ে আর দুটি ম্যাচ বাকি। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েই কেন্টের জন্য বড় এক ধাক্কা। তাদের বোলিং আক্রমণের বড় অস্ত্র হাসান মাহমুদকে দেশে ডেকে পাঠিয়েছে বিসিবি। এই পেসারের বিদায়কে বড় ক্ষতি বলে মনে করছে কাউন্টি দলটি। বাংলাদেশের বোর্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা এখন তাকিয়ে দলের অন্য দুই বিদেশি পেসারের দিকে। কাউন্টিতে হাসান অভিষেকেই ৯টি উইকেট নিয়ে জিতিয়েছেন দলকে। পরের ম্যাচগুলিতেই ধরে রেখেছেন সেই পারফরম্যান্স। চার ম্যাচে শিকার করেছেন ২৬ উইকেট। তার বোলিং গড় ১৫.৭৬। ডিভিশন টু–তে অন্তত ২০ উইকেট শিকারি বোলারদের মধ্যে সেরা গড় এটি। প্রদি ২৯.২৬ ডেলিভারিতে উইকেট নিয়েছেন একটি করে। ১০টির বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে সেরা স্ট্রাইক রেট তারই। হাসানের খেলা এই চার ম্যাচের তিনটিই জিতেছে কেন্ট। বাকি ম্যাচগুলির জন্যও বিসিবির অনাপত্তিপত্র পেয়েছিলেন এই পেসার। কিন্তু সিদ্ধান্ত বদল করে তাকে দেশে ফিরতে বলেছে বোর্ড। মূলত এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের প্রস্তুতি ও সামনের ব্যস্ত সূচি ভাবনায় রেখেই হাসানকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। কেন্টের ক্রিকেট পরিচালক সাইমন কুক বিবৃতিতে বললেন, হাসানকে হারিয়ে তারা আশাহত হলেও বাস্তবতা বুঝতে পারছেন। ‘কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ দিকের ম্যাচগুলোর জন্য হাসানকে হারানোয় আমরা হতাশ। কিন্তু গঠনমূলক আলোচনার পর বিসিবির সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান করি এবং তার জন্য শুভকামনা জানাই। যদিও হাসানের অনুপস্থিতি বড় এক ক্ষতি, শেষ দুটি ম্যাচে পাওয়া যাবে আমাদের অন্য দুই বিদেশী পেসার কিথ ডাজন এবং খালেদ আহমেদকে।’ দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার ডাজন এই মৌসুমে কেন্টের হয়ে ১১ ম্যাচে ৩৭ উইকেট নিয়েছেন। তার বদলে সবশেষ ম্যাচটি খেলে কাউন্টি অভিষেকে তিন উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার খালেদ। কাউন্টিতে চার ম্যাচে ২৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি টি–টোয়েন্টি ব্লাস্টে তিন ম্যাচে চার উইকেট নিয়েছেন হাসান।












