ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণে যখন প্রচলিত ওষুধ আর কাজ করে না, তখন তাকে এন্টি ফাংগাল রেসিসট্যান্স বলা হয়। স্টেরয়েড জাতীয় মলমের অত্যধিক ব্যবহার, ওষুধের সঠিক ডোজ ও সঠিক সময় মেনে না চলা, বিভিন্ন ধরনের মিক্সড মলম ব্যবহার করা, নতুন ফাংগাসের আবিষ্কার, ফাংগাসের জ্বীনগত পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে ছত্রাকরোধী ওষুধগুলো কাজ করছে না। গত বৃহস্পতিবার নগরীর বোট ক্লাবে বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিক্যাল সোসাইটি চট্টগ্রাম শাখা আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মনছুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। এছাড়া সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এখনো প্রচলিত ও আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে ত্বকের ফাংগাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়। বর্তমানে ভরিকোনাজল, কেস্পোফান্িগন, পোসাকোনাজলসহ নতুন আবিষ্কৃত ফাংগাসরোধী ওষুধ বাজারে এসেছে। এসবের সঠিক প্রয়োগে এই রোগ এখন সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। কিন্তু স্টেরয়েড জাতীয় মলমের অপব্যবহার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিক্যাল সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মো শাহ আলম, কর্নেল ডা. মাহবুব কামাল, চমেক হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের প্রধান ও বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিক্যাল সোসাইটি চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. জুনায়েদ মাহমুদ খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকবৃন্দকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।













