আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকা সেনাসদস্যদের ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা দেশে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এখনো ডেপ্লয়েড আছি। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকে আমরা এই কাজ করে যাচ্ছি। এখনো আছি; এখনো ১৬–১৭ হাজার সেনা বাংলাদেশের ৬২টা জেলায় আছে। আমরা অনেক সৈনিক উইথড্র করেছি, বাট এখনো সম্পূর্ণ উইথড্র হয়নি। ইনশা আল্লাহ আমরা আশা করছি যে, কিছু সময়ের মধ্যে আমরা সবাই ব্যারাকে ফেরত আসতে পারব।’ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান। খবর বিডিনিউজের।
ব্যারাকে ফিরলেও দেশের প্রয়োজনে সেনাসদস্যদের কিছু কাজ চালিয়ে যেতেই হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যেমন এখন ফুয়েল ডিপোগুলোতে আমাদের ডেপ্লয়মেন্ট আছে। এরকম টাইম টু টাইম বিভিন্ন কাজে আমাদের হয়তো সরকারকে সহায়তা করতে হবে। জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান বলেন, মোটাদাগে আমাদের যে প্রধান কাজ– ক্যান্টনমেন্টে ফেরত এসে প্রশিক্ষণ, ফায়ারিং করা, যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি–আমাদের নিজস্ব যেই পদ্ধতি আছে, নিজস্ব ওয়ে আছে; সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের শুরু করতে হবে। এজন্য ফায়ারিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমরা এতদিন ফায়ারিং সেভাবে করতে পারিনি, এখন ফায়ারিং কম্পিটিশন হলো। আমি যে রেজাল্ট দেখলাম, ফায়ারারদের যে দক্ষতা দেখলাম, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে– এতদিন ফিল্ডে থাকার পরেও আমাদের ফায়ারিং সক্ষমতা কমেনি। এটা একটা ভালো লক্ষণ।
১৬ মে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ মোট ১৭টি দল অংশ নেয়। এতে ১৭ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড রানার–আপ হয়।











