বিএনপি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ গত মঙ্গলবার সরকারি সিটি কলেজে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর চিহ্নিত একটি ‘গুপ্ত’ গোষ্ঠীর বর্বরোচিত ও পরিকল্পিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও এরশাদ উল্লাহ এমপি এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান গতকাল বুধবার যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বিগত ৫ আগস্টের ছাত্র–জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের পর দেশ যখন একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারায় অগ্রসর হচ্ছে এবং একটি নির্বাচিত সরকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহাবস্থান ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট করতেই গুপ্তভাবে এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন যে, চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ‘গুপ্ত রাজনীতি’র বিরুদ্ধে দেয়াল লিখনের জেরে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়। এতে বহু নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই হামলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি ভয়াবহ অরাজকতার চিত্র তুলে ধরে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গুপ্ত রাজনীতির সঙ্গে জড়িত একটি গোষ্ঠী ফ্যাসিবাদী কায়দায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে রাজনীতিকে বিকৃত করে তুলছে। দেশের চলমান উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি অশুভ শক্তি সুপরিকল্পিতভাবে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা কখনোই সফল হবে না।
নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রকৃত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি আহত নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। তারা আরও বলেন, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের গুপ্ত রাজনীতি বা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, দেশের বর্তমান উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের যে কোনো ষড়যন্ত্র রাজপথেই মোকাবিলা করা হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া নেতৃবৃন্দ শিক্ষক–শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














