কৃষকের জন্য কম দামে সার নিশ্চিত করতে গত ১৬ বছরে সরকার কৃষিখাতে প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। চলতি অর্থবছরেও রাখা হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকার সহায়তা। এর প্রায় ৯৮ শতাংশই সারের ভর্তুকি। অথচ হাজার হাজার কোটি টাকার এই ভর্তুকির সুফল প্রান্তিক কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর আগেই নানা স্তরে লুটপাট, অনিয়ম, দুর্নীতি, আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। কখনো পরিবহনের আড়ালে সরকারি গুদামে পৌঁছানোর আগেই কোটি কোটি টাকার সার গায়েব হয়েছে, কখনো কালোবাজারে বিক্রি হয়েছে, আবার কখনো সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারে পাচার করা হয়েছে। পাচারের সময় বহু সার ধরাও পড়ছে। সর্বশেষ চট্টগ্রামের মীরসরাই ও সীতাকুণ্ডে মাত্র দুইদিনের ব্যবধানে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৮ টন ইউরিয়া সার জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। এর মধ্যে গতকাল শুক্রবার মীরসরাইয়ের ইছাখালী ঘাটে ট্রাক থেকে ফিশিং বোটে তোলার সময় ৪৮ টন এবং এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ঘাটে কার্গো বোটে তোলার সময় ৩০ টন সার জব্দ করা হয়। দুই অভিযানে ৫টি ট্রাক, ২টি বোট এবং ৫ পাচারকারী আটক হয়েছে।
সূত্র বলেছে, একদিকে সরকারি ভর্তুকির অর্থের বড় একটি অংশ অনিয়ম–দুর্নীতির মাধ্যমে লুট হওয়ার অভিযোগ, অন্যদিকে দেশের ভর মৌসুম সামনে রেখে সার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারের হিসাবে দেশে পর্যাপ্ত সার রয়েছে এবং সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা নেই। কিন্তু মাঠপর্যায়ে কৃষকের সার না পাওয়া, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, মজুদ ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সরকারি গুদামে সার থাকার পরও কোনো কোনো এলাকায় কৃষককে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে।
সরকারি সার পরিবহনের ক্ষেত্রেও অনিয়মের একাধিক ঘটনা ইতোমধ্যে তদন্ত ও মামলার পর্যায়ে রয়েছে। বিসিআইসির তদন্তে ঢাকার পোটন ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে ৭২ হাজার টন সরকারি সার গুদামে না পৌঁছানোর অভিযোগে ৫৮২ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতির কথা উঠে এসেছে। এ ঘটনায় বিসিআইসি ১ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা আদায়ের মামলা করেছে। পোটন ট্রেডার্সের মালিক কামরুল আশরাফ খান পোটন সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি। তার কাছ থেকে সার কিংবা টাকা কোনোটাই উদ্ধার করা যায়নি বলে সূত্র জানিয়েছে।
চট্টগ্রামের নবাব অ্যান্ড কোম্পানির বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। বিসিআইসির মামলা ও তদন্ত–সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, কাতার ও সৌদি আরব থেকে আমদানি করা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৬ টন ইউরিয়া সারের মধ্যে ৬৬ হাজার ৮৭৪ টন বাফার গুদামে পৌঁছানো হয়নি। এসব সারের আনুমানিক মূল্য ৬১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ টাকা। ২০১৯–২০ ও ২০২০–২১ অর্থবছরে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় বন্দর থেকে সার নিয়ে ৫০ দিনের মধ্যে গুদামে পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এ ঘটনায় নবাব খানের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু সার উদ্ধার করে কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। গায়েব করে দেয়া সারের একটি বড় অংশ মিয়ানমারে পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিসিআইসির তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নবাব অ্যান্ড কোম্পানি তাদের কাছে ৫৮ হাজার ৫৩৩ টন সার রয়েছে বলে দাবি করলেও তদন্তকারীরা বাস্তবে প্রায় ২৮ হাজার টন সারের অস্তিত্ব পেয়েছিলেন। ফলে সরকারি সার পরিবহনের পুরো ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবহনের সময় সার আত্মসাতের একটি প্রচলিত কৌশল ছিল–বন্দর থেকে সরকারি সার বুঝে নেওয়ার পর তা নির্ধারিত গুদামে না পৌঁছে খোলাবাজারে বিক্রি করে দেওয়া। কখনো ভর মৌসুমে বেশি দামে সার বিক্রি করে পরে দাম কমলে বাজার থেকে সার কিনে সরকারি গুদামে জমা দেওয়া। বিশেষ এই কৌশলে কোটি কোটি টাকার সার খোলাবাজারে বিক্রি এবং পাচার হয়েছে। পরে দাম কমলেও সারগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছানো হয়নি বলে উল্লেখ করে সূত্র বলেছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিবহনের সময় সার বিক্রি করে দিয়ে পরে হিসাব–নিকাশে নানা ধরনের গোঁজামিল দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব অনিয়মের কারণে সরকারি ভর্তুকির কোটি কোটি টাকার সুফল প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকেরা পাননি।
সূত্র বলেছে, সরকার খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখা, কৃষকদের প্রণোদনা, উৎসাহ প্রদান এবং সর্বোপুরি উৎপাদন খরচ কমাতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি হিসেবে ব্যয় করে। চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে সার ও অন্যান্য কৃষি কার্যক্রমে প্রণোদনা বা ভর্তুকির জন্য ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কৃষকদের কল্যাণে বিশাল অংকের এই অর্থের একটি বড় অংশ শেষপর্যন্ত কোনো লুটেরা লুট করে তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
দেশে প্রধানত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি–এই চার ধরনের সার ব্যবহার করা হয়। ইউরিয়া আমদানি ও উৎপাদনের দায়িত্ব মূলত শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি), আর টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি আমদানির সঙ্গে রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। দেশের মোট সারের চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। সামপ্রতিক এক হিসাবে বলা হয়েছে, দেশের বার্ষিক সারের চাহিদার ৭০ শতাংশের বেশি সার আমদানির মাধ্যমে পূরণ হয়।
চলতি অর্থবছরের জন্য কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে সব ধরনের সার মিলিয়ে চাহিদা প্রায় ৬৭ লাখ ৭০ হাজার টন। এর মধ্যে ইউরিয়ার চাহিদা ২৬ লাখ ২০ হাজার টন, ডিএপি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন, এমওপি ৯ লাখ ৭০ হাজার টন এবং টিএসপি ৯ লাখ ১৫ হাজার টনের বেশি।
আগামী বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে ইউরিয়া নিয়েই সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ রয়েছে। বার্ষিক প্রায় ২৬ লাখ টন ইউরিয়া সারের চাহিদার মধ্যে ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত চার মাসেই প্রায় ১৪ লাখ টন প্রয়োজন হয়। গত ১৩ সেপ্টেম্বর দেশে ইউরিয়ার মজুদ ছিল প্রায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার টন। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যুদ্ধ ও নৌপথের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় সরকার রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই থেকে বিকল্প উৎসে ইউরিয়া সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।
দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলেছে, কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। বিসিআইসি চেয়ারম্যান ১৪ সেপ্টেম্বর দেশের কয়েকটি বাফার গুদাম পরিদর্শন করে নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ইউরিয়া মজুদ যথেষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন। বিসিআইসির হিসাবে তিনটি দেশীয় কারখানা মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদন করছে এবং আমদানিও অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে আগামী মৌসুমের চাহিদা পূরণে সরকার আমদানির উদ্যোগও বাড়িয়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ৪৪টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ লাখ ২০ হাজার টন নন–ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারিভাবে আরও ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি রয়েছে।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট সরকার সৌদি আরব, রাশিয়া, মরক্কো, কানাডা ও কাফকো থেকে মোট ৩ লাখ ৬৫ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে ৮০ হাজার টন ইউরিয়া, ১ লাখ ১৫ হাজার টন এমওপি, ৮০ হাজার টন ডিএপি এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি রয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বরও কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে আরও ১ লাখ ৫৫ হাজার টন এমওপি ও ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এরপরও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না বলে উল্লেখ করে সূত্র জানিয়েছে, সরকারি গুদামে সার থাকার তথ্যের সঙ্গে কৃষকের হাতে সময়মতো সার পৌঁছানোর বাস্তবতার মধ্যে ফারাক দেখা যাচ্ছে। নতুন ডিলার নীতির পরিবর্তনের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিলাররা বরাদ্দের পুরো সার না তোলায় সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছিল বলে সূত্র মন্তব্য করেছে।
বিদ্যমান পরিস্থিতির মাঝেই চট্টগ্রাম উপকূল দিয়ে সরকারি ভর্তুকির সার পাচারের একাধিক ঘটনা ধরা পড়েছে। এতে উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা আরো বেড়েছে। কোস্ট গার্ড শুক্রবার ভোররাতে গোপন খবরের ভিত্তিতে ইছাখালী ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ট্রাক থেকে ফিশিং বোটে স্থানান্তরের সময় প্রায় ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ৯৬০ বস্তা বা ৪৮ টন ইউরিয়া সার জব্দ করেছে। এ ঘটনায় ৪টি ট্রাক ও একটি ফিশিং বোটসহ তিন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।
এর মাত্র একদিন আগে, বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ঘাটসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড অভিযান চালিয়ে একই ধরনের পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করে। সেখানে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ট্রাক থেকে কার্গো বোটে সার স্থানান্তরের সময় প্রায় ২১ লাখ টাকা মূল্যের ৬০০ বস্তা বা ৩০ টন ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় দুটি ট্রাকসহ দুই পাচারকারী আটক হয়। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে চট্টগ্রামের উপকূলীয় দুটি ঘাট থেকে মোট ৭৮ টন ইউরিয়া সার মিয়ানমারে পাচারের সময় জব্দ করা হয়েছে।
দেশের ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা ও সার বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে সূত্র বলেছে, সরকার কৃষকের জন্য যে সার ভর্তুকি দিয়ে কম দামে সরবরাহ করছে, সেই সার যদি পরিবহনের বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে সীমান্তের ওপারে চলে যায়, তাহলে ভর্তুকির পুরো অর্থই কার্যত কৃষকের বদলে চোরাচালানকারীর হাতে চলে যায়।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার নিয়ে সরকারের নীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষককে সহায়তা করা। কিন্তু গুদাম থেকে ডিলার, ডিলার থেকে খুচরা বিক্রেতা এবং সেখান থেকে কৃষকের হাতে পৌঁছানোর প্রতিটি স্তরে যদি কঠোর নজরদারি না থাকে, তাহলে কাগজে পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও মাঠে সংকট তৈরি হতে পারে। অতীতে সরকারি সার পরিবহনে বড় অঙ্কের আত্মসাতের ঘটনা এবং বর্তমানে উপকূল দিয়ে সার পাচার সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও নজরদারির অভাবের কথা উল্লেখ করে সূত্র প্রতিটি স্তরে নজরদারি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যথায় সরকার কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিলেও তার সুফল হতে কৃষকেরা বরাবরই বঞ্চিত হবেন।
বিসিআইসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গতকাল দৈনিক আজাদীকে বলেন, কৃষি সেক্টরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। সার আমদানির প্রক্রিয়াও চলছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকের দোরগোড়ায় সার পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। তিনি অতীতে ভর্তুকির অর্থের অপব্যবহার ও সার পরিবহনে অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, রাজনৈতিক চাপ ও প্রভাবশালীদের কারণে অতীতে অনেক কিছু ঘটেছে। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। শত শত কোটি টাকার সার গায়েবের মতো ঘটনায় আগে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হলেও এখন অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভর্তুকির সুফল প্রান্তিক কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হলে বিতরণ ব্যবস্থার অনিয়ম বন্ধ করা জরুরি।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার আমদানি বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। সরকারি গুদাম থেকে কৃষকের জমি পর্যন্ত সারের প্রতিটি চালানের হিসাব ডিজিটালভাবে অনুসরণ, পরিবহন পর্যায়ে জিপিএস ও ই–ডেলিভারি ব্যবস্থা, বাফার গুদামে সরবরাহের সময় বাধ্যতামূলক ওজন যাচাই, ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ ও বিক্রির তথ্যের তাৎক্ষণিক নজরদারি এবং চোরাচালান রোধে উপকূল ও সীমান্তে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে যেসব ঘটনায় শত শত কোটি টাকার সরকারি সার গায়েব হয়েছে, সেগুলোর দ্রুত তদন্ত ও গায়েব হওয়া সার বা অর্থ উদ্ধারের ব্যবস্থা করে নজির স্থাপন করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতেও ভর্তুকির বড় অংশ কৃষকের বদলে মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু চক্রের হাতে চলে যাবে বলে তারা মন্তব্য করেন।













