কিসের রাখঢাক! এটাতো নতুন নয়, হয়তো জোরদার করেছে, এতে বেশিরভাগই সুবিধে হয়েছে, যেমন: ১.যারা দেরিতে আসতো, তারা সময়ে আসে। তাদেরকে প্রধান শিক্ষকদের আর বলতে হয় না। যারাই দেরিতে আসতেন, তাঁরাও সময়ে আসছেন। আর যেসব শিক্ষকদের বদঅভ্যেস ছিল, তারাও সময় করে আসছেন। আবার যাদের অন্য অনেক অনেক সমস্যা থাকে, তারাও সমস্যা গুলো কাটিয়ে স্কুলে আসার চেষ্টা করছেন। একটা সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলা, সঠিক সময়ে আসা, সঠিক সময়ে যাওয়া এটা তদারকির সূত্রে হোক বা না হোক তাতে কি আসে যায়! এটা নিয়মনীতিতে পড়ে। আপনি যখন চাকরি বা শিক্ষকতা করবেন, আপনার সময় আপনাকে মানতেই হবে।
হুম ব্যতিক্রম তো থাকবেই, মানে সুবিধা অসুবিধা, সেটা আপনাকে আপনার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। যদি আন্তরিকতা থাকে, সময় মত স্কুলে এসে, সময়মত রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে যায়, তবে অনেকাংশেই সফলতা আসবে বলে আমি মনে করি। কখনোই এসব বিষয়ে বইতে লেখার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। ফেসবুক আপনার কিছুই করতে পারবেনা, না চাকরি দিতে, না সময় নিয়ে কিছু করতে। সুন্দরকে মেনে নিন। আর সুন্দর থাকার চেষ্টা করুন। অন্যকে সুন্দর রাখার মধ্যে আনন্দ খুঁজুন। কচিকাঁচা শিশুদের আপনাদের হাতে তুলে দিয়েছে মা বাবা, সরকার। আপনারাই ওদের মা বাবা। আমার বিশ্বাস একদিন সফলতা আসবেই। সরকার প্রদত্ত সকল সুফলসমূহ একদিন ওসব শিশুদের মাধ্যমেই পাবেন। এবার আসি, যাওয়া আসা ঠিক থাকলেই সব হবেনা, আন্তরিকতা থাকতে হবে। আমি জানি শিশুর প্রতি শিক্ষকগণ আন্তরিক। তবে কিছু শিক্ষকদের নিজেদের কিছু বদঅভ্যেস পাল্টাতে হবে। হাজিরা দিয়েই ক্লাসে চলে যাওয়াই উত্তম। একজন শিক্ষক একজন ছাত্রছাত্রীর মা বাবা– আপনার সন্তানের দায়িত্ব আপনার হাতেই তুলে নিন– কারো শাসন বা ভয়ে নয়।











