রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়িতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ধর্মশিং চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের ভগ্নিপতি বলভদ্র চাকমা বাদী হয়ে রাঙামাটির কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। রাঙামাটির কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত শুক্রবার নিহত ব্যক্তির আপন ভগ্নিপতি বাদী হয়ে ২০–২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছেন। স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের দিন শুক্রবার বিকালেই পারিবারিক শ্মশানে নিহতের দাহক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে সদর উপজেলার কুতুকছড়ি উপরপাড়ায় নিজ বাসায় অবস্থানকালে ধর্মশিং চাকমার বাড়িটি ঘিরে ফেলে একটি সশস্ত্র দল। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে অস্ত্রধারীদের ব্রাশফায়ারে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হামলায় ধর্মশিংয়ের দুই বোন কৃপাসোনা ও ভাগ্যশোভা চাকমাও হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি জিকো ত্রিপুরা ও সাধারণ সম্পাদক বরুন চাকমা বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা এই ঘটনার জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছেন। তবে জেএসএস এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর আগে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ কুতুকছড়ি থেকে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের দুই নেত্রী অপহরণের ঘটনার সময়ও ধর্মশিং চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। সেবার পালিয়ে বাঁচলেও এর আট বছর পর গুলিতেই প্রাণ হারালেন তিনি।












