মিয়ানমারে সাবেক প্রেসিডেন্টসহ ৪ হাজার বন্দি পেলেন ক্ষমা

সাজা কমল সু চির

| শনিবার , ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ at ১১:২২ পূর্বাহ্ণ

মিয়ানমারে হাজার হাজার বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা করা হয়েছে, অনেকের সাজাও কমানো হয়েছে। চলতি মাসে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটি তার প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ। ওই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটির কারাবন্দি সাবেক নেত্রী অং সান সু চির সাজা কমানো হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। প্রেসিডেন্সি অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে আটক সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও ক্ষমা করা হয়েছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এমআরটিভি জানিয়েছে, মিন অং হ্লাইং ৪,৩৩৫ জন বন্দির সাধারণ ক্ষমা অনুমোদন করেছেন। মিন অং হ্লাইং’র পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনো বন্দির নাম উল্লেখ না করে বলা হয়েছে, ‘যারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ছিলেন, তাদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। খবর বাংলানিউজের। মিন অং হ্লাইং’র কার্যালয় থেকে দেওয়া অন্য এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে ক্ষমা করেছেন। এমআরটিভি জানিয়েছে, উইন মিন্টকে ‘নির্দিষ্ট কিছু শর্তে ক্ষমা ও তার অবশিষ্ট সাজা কমানো হয়েছে। ৮০ বছর বয়সী সু চি বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন, যেটিকে তার সমর্থকরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তার আইনজীবী রয়টার্সকে জানান, সু চির সাজা ছয় ভাগের এক ভাগ কমানো হয়েছে। তবে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এ নেত্রীকে তার বাকি সাজা গৃহবন্দি অবস্থায় কাটানোর অনুমতি দেওয়া হবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর মিন অং হ্লাইং সু চিকে গ্রেপ্তার করেছিলেন। মিয়ানমারে সাধারণত জানুয়ারি মাসে স্বাধীনতা দিবস ও এপ্রিল মাসে নববর্ষ উপলক্ষ্যে এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। যাদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে তাদের মধ্যে ১৭৯ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এই ক্ষমার মধ্যে সব মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন করা, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে ৪০ বছর করা ও অন্যান্য সব বন্দির সাজার মেয়াদ ছয় ভাগের এক ভাগ কমানো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধভেনেজুয়েলায় ৪৬ রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি
পরবর্তী নিবন্ধইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১৭