প্রায় আড়াই বছরের মাথায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দুয়ার খুলছে মালয়েশিয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার এ নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বলেছে, মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ভাই–বোনদের জন্য কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দেওয়া হলো। আগ্রহী কর্মীরা তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন। তবে এবার মালয়েশিয়া যেতে কত খরচ পড়বে, সে সম্পর্কে মন্ত্রণালয় থেকে কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি। খবর বিডিনিউজের।
দুই জনশক্তি রপ্তানিকারক বলেন, সরকার নির্ধারিত খরচে আগে কেউ যেতে পারেনি, এবারও পারবেন না। কত খরচ হতে পারে, এমন প্রশ্নে তারা বলেন, সরকার এখনও তা ঠিক করেনি। তবে বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে সেই ব্যয় পাঁচ–ছয় লাখ টাকার কম হবে না বলেই ধারণা দেন তারা। এ বিষয়ে জানতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন দিলেও সাড়া মেলেনি। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার চূড়ান্ত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রমবাজার চালুর পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব মালয়েশিয়ার তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে নতুন নীতিমালার আলোকে যাচাই–বাছাই করে মেডিক্যাল সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করবে। মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় পদ্ধতি ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (এফডব্লিউসিএমএস) বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় দেখা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশে তাদের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। যার মধ্যে আছে– এশিয়া ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, ফেমাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল, গ্লোবাল মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হিউম্যান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, ইবনে ওমর মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, জান্নাহ মেডিকেল সার্ভিসেস, ল্যাব সায়েন্স ডায়াগনস্টিক, লিডিং হেলথ চেকআপ, পারফেক্ট মেডিকেয়ার, পুষ্প ক্লিনিক, সানলাইট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল, মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস, ইউনিকেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস, ডায়নামিক ল্যাব ও গ্রিনল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার।










