মহেশখালী-পেকুয়ার অনেকে নিখোঁজ

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি । ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার । পেকুয়ায় নিখোঁজ ১২, পুঁইছড়িতে ৫ জন

মহেশখালী ও পেকুয়া প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার , ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ at ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ

অবৈধভাবে দালালের মাধ্যমে সাগরপথে মালয়েশিয়াগামী ২৭৭ জন যাত্রীবাহী একটি ট্রলার আন্দামান সাগরের কাছে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মহেশখালী উপজেলার অনেকে নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কত সংখ্যক মানুষ নিখোঁজ তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। ট্রলার ডুবির ঘটনার পর থেকে মহেশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নে নিখোঁজদের ঘরে ঘরে চলছে কান্নার রোল। ঘটনার পর ভাসমান অবস্থায় ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, গত ৪ এপ্রিল কক্সবাজারের ইনানী, টেকনাফের নোয়াখালী পাড়া ও রাজারছড়া এলাকা থেকে ছোট ছোট নৌকায় করে তাদের একটি বড় ট্রলারে তোলা হয়। ২৭৭ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। আট দিনের মাথায় আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে পৌঁছালে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। বেঁচে ফেরা একাধিক যাত্রীর ভাষ্য মতে, ট্রলারে নারীশিশুসহ প্রায় ২৭৭ জন যাত্রী ছিল। এদের মধ্যে ছিল পুরুষ ২৪০ জন, মহিলা ২০ জন ও শিশু ৪ জন। পাশাপাশি বোটের স্টাফ ছিল ১৩ জন। দুর্ঘটনার পর তারা পানির বোতল ও তেলের ট্যাংকি ধরে দুই দিন সাগরে ভাসমান থাকে। পরে একটি বাংলাদেশি জাহাজ তাদের উদ্ধার করে কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে। তবে বাকি যাত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

উদ্ধার যাত্রীদের মধ্যে ফেরত আসা উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে গত ৪ এপ্রিল আমাকে টেকনাফে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাজারছড়া এলাকার একটি পাহাড়ে বন্দী করে রাখা হয়। যেখানে পূর্ব থেকে আরও ৫০৬০ জন লোক ছিল। গভীর রাতে আমাদের একটি কার্গো বোটে তোলা হয়। সেখানে গিয়ে দেখি ক্যাম্পের পরিচিত কয়েকজনসহ প্রায় আড়াই শতাধিক মানুষ গাদাগাদি করে বসে আছে। তিনি আরও বলেন, তারা ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে পৌঁছায়। এসময় মাঝি ও তার লোকজনের সঙ্গে যাত্রীদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সবাইকে জিম্মি করে বোটের বরফঘরে ঢুকিয়ে রাখা হয়। এর প্রায় আধা ঘণ্টা পরই বোটটি ডুবে যায়। তখন আমি ও আরও কয়েকজন পানির বোতল ও তেলের ট্যাংকি ধরে দুই দিন সাগরে ভাসতে থাকি। পরে ১১ এপ্রিল একটি বাংলাদেশি জাহাজ আমাদের উদ্ধার করে।

ফেরত আসা টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকার বাসিন্দা সোহান উদ্দিনের বাবা শামসুল আলম বলেন, এলাকার এক বন্ধু এনায়েত খেলার কথা বলে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। পরে জানতে পারি, দালালের কাছে বিক্রি করে তাকে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাঠানো হয়। শনিবার রাতে থানা থেকে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে আমার ছেলেকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পাই। তার সঙ্গে নারীসহ আরও আটজন ছিল, সবার অবস্থাই ছিল খুবই নাজুক। তিনি আরও বলেন, সাগর থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় আনা হয় এবং পরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে দুঃখজনক বিষয় হলো রোহিঙ্গাদের ছেড়ে দিলেও স্থানীয়দের দালাল হিসেবে আসামি করা হয়েছে।

অন্যদিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফেরত আসা মো. ইমরান বলেন, ক্যাম্পের জীবন থেকে মুক্তি পেতে বন্ধুদের সঙ্গে আমিও যাত্রা করি। কিন্তু আন্দামান সাগরের কাছাকাছি পৌঁছালে আমাদের ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে পানির ট্যাংকি ধরে দুই দিন সাগরে জীবনমৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করি। এরপর একটি বাংলাদেশি জাহাজ আমাদের উদ্ধার করে। তিনি বলেন, এত মানুষ মারা গেছে ভাবতেই পারছি না। এই স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকা কষ্টের।

এদিকে কোস্ট গার্ড বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলার তথ্যমতে, ‘তানজিনা সুলতানা’ নামের বোটে করে অবৈধভাবে মালয়েশিয়াগামী এসব যাত্রী বৈরী আবহাওয়ায় ট্রলারডুবির শিকার হয়। এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, সাগর থেকে উদ্ধার হওয়া ৯ জনকে থানায় আনা হয়। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর দালালদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভিকটিমদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়াগামী বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এম টি মেঘনা প্রাইড গত ৯ এপ্রিল দুপুরে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকট ডুবে যায়। পরে গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় ৯ বাংলাদেশিকে (৮ পুরুষ ও ১ নারী) উদ্ধার করে। পরে মধ্যরাতে উদ্ধারকৃতদের কোস্ট গার্ডের টহল জাহাজ মনসুর আলীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভাসমান অবস্থায় উদ্ধারকৃতরা হলেনমো. ইমরান, রাহেলা বেগম, হৃদয়, সোহান উদ্দিন, মো. আকবর, রফিকুল ইসলাম, তোফায়েল, সায়াদ আলম ও মো. হামিদ।

এদিকে আন্দমান সাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মহেশখালীর বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। কেবল মহেশখালীর ধলঘাটা শাপলাপুর ও হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া গ্রামের ৮/১০ জন লোক নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। হোয়ানকের পানিরছড়া গ্রামের আজিজুল হক জানান, আমার বড় ভাই মো. জাকারিয়ার ছেলে ভাতিজা মকসুদ আলম গত ৩১ এপ্রিল বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে নদীপথে রওয়ানা দেন। পরবর্তীতে ৪ তারিখ সকালে তার সাথে আমাদের শেষবারের মতো যোগাযোগ হয়। গত ১০ দিন ধরে তার সঙ্গে বা তার সম্পর্কে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। যা আমাদের পরিবারকে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে ফেলেছে। তার সাথে একই গ্রামের প্রতিবেশী কালামিয়ার পুত্র হেদায়েতুল্লাহ প্রকাশ মনিয়া নামের আরো এক যুবক ছিল। আমরা নিশ্চিত হয়েছি ডুবে যাওয়া ট্রলারেই তারা ছিল। নিখোঁজ মকসুদ আলমের স্ত্রী সুফিয়া কামাল জানান, তার স্বামীকে প্রতিবেশী জনৈক দালাল প্রলোভন দিয়ে মালয়েশিয়া পাঠিয়েছে। তার দুটি সন্তান রয়েছে। এখন সে কিভাবে বেঁচে থাকবে কোনো দিশা পাচ্ছে না। তিনি দালালের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মুহাম্মদ ডালিম জানায়, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই মানব পাচার চক্রকে আইনের আওতায় এনে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।

পেকুয়ায় নিখোঁজ ১২ : মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলার আন্দামান সাগরে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা থেকে অন্তত ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের পরিবারগুলো দিন কাটছে চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক আর অপেক্ষার প্রহর গুণে। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন, রাজাখালী ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার আব্দু রহিমের ছেলে মো. বেলাল, আহমদ ছবির ছেলে মো. এহেসান, আব্দুল মালেকের ছেলে রহিম, হাজিরপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল, নুরুল আমিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, নতুন ঘোনা গোদারপাড়া এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে রহুল কাদের, শহিদুল্লাহর ছেলে মানিক এবং আব্দুল হক কোম্পানির এক আত্মীয়। এছাড়া টৈটং ইউনিয়নের পেন্ডারপাড়া ও হিরাবুনিয়াপাড়া থেকে আরও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে বাঁশখালী উপজেলার পুইছড়ি ইউনিয়নের আরও অন্তত ৫ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ও ৬ এপ্রিল পৃথকভাবে এসব যুবক সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরে ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের তথ্যমতে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আড়াই শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ এহেসানের মা মোহসেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলের সাথে শেষ কথা হয়েছিল ট্রলারে ওঠার পর। সে বলেছিলমা, চিন্তা করবেনা না, পৌঁছে ফোন দিব। সেই ফোন আর আসেনি। এখন শুধু অপেক্ষা করছি, আমার ছেলেটা ফিরে আসুক।

সোহেলের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলেটা পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিল। ভালো একটা জীবনের আশায় গেছে। এখন তার কোনো খোঁজ নেইআমরা বাঁচব কেমনে? নিখোঁজ রহিমের স্ত্রী আজবাহার বেগম বলেন, যাওয়ার সময় বলছিলতোমাদের ভালো রাখার জন্য আমার এ যাত্রা। এখন আমি কাকে নিয়ে বাঁচব? ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর মুখের দিকে তাকাতে পারি না।

রাশেদুল ইসলামের নানী ছফুরা খাতুন বলেন, নাতিটা আমার চোখের সামনে বড় হয়েছে। বিদেশে গিয়ে কিছু করবেএই স্বপ্ন নিয়ে ছিল। আল্লাহর কাছে একটাই দোয়াওরে ফিরিয়ে দাও। অন্যদিকে, বেলালের মা ছালেহা বেগম ও স্ত্রী সুমি আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্বজনরা জানান, বেলাল সংসারের হাল ধরতেই এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়িয়েছে। এদিকে একই ট্রলারে থাকা হামিদা বেগমের ছেলে মো. হাসান জীবিত ফিরে আসায় তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

রাজাখালী ইউপির সদস্য নেজাম উদ্দিন নেজু জানান, নিখোঁজদের পরিবারের পাশে তারা সার্বক্ষণিক আছেন এবং তাদের খোঁজে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি দালালদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ কেন্দ্রিক একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। তারা পেকুয়া ও বাঁশখালীর দরিদ্র ও হতাশাগ্রস্ত যুবকদের টার্গেট করে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভন দেখায়।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, টৈটং ইউনিয়নের কেরুণছড়ি এলাকার আবুল হোসেন, তার মেয়ে হাসিনা বেগম ও জামাই হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া গুধিকাটা এলাকার আবু তাহেরের ছেলে, বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকার ফোরকান ও রুবেলও এই সিন্ডিকেটে সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, রাজাখালী মাতবর পাড়ার বাসিন্দা আহমদ ছবির মেয়ের জামাই এবং টেকনাফের নুরুল আলমসহ কয়েকজন দালাল সরাসরি লোক সংগ্রহ করে ট্রলারে তুলে দেয়। তাদের সহযোগী হিসেবে সাহাব উদ্দিন, ফিরোজ ও সাইফুলের নামও উঠে এসেছে। জনপ্রতি ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে এসব যুবকদের সাগরপথে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই স্বপ্ন অনেক সময়ই রূপ নেয় মৃত্যুফাঁদে।

সরেজমিনে নিখোঁজদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কেউ লবণ শ্রমিক, কেউ জেলে, আবার কেউ বেকার ছিলেন। অনেকেই পরিবারকে না জানিয়ে দালালদের প্রলোভনে পড়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় পা বাড়ান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচার চক্র সক্রিয় থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলম জানান, পেকুয়া থানা এলাকার রাজাখালী ইউনিয়নের কয়েকজন লোক সাগর পথে মালেশিয়া যাওয়ার সময় নৌ ডুবির শিকার হয় বলে আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেনেছি। তাদের সাথে বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নিখোঁজ পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায় ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে তথ্য অনুসন্ধান চলছে। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক শরীফ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান
পরবর্তী নিবন্ধবাবুই পাখির বাসা ভাঙায় কারাদণ্ড