মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়ানোর বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মসজিদের নির্মাণ ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২১ কোটি টাকা কীভাবে হয়েছে, সেই তদন্তে সরকারের অন্য সংস্থাও যুক্ত হতে পারে। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে নোয়াখালী–২ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জয়নুল আবদীন ফারুকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের পক্ষে প্রশ্নের উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। খবর বিডিনিউজের।
জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, গত ১৬ বছরে প্রতিটি মডেল মসজিদের জন্য ১৩ কোটি থেকে ২১ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যয়ের তদন্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, এত টাকার অপচয় হয়েছে। এখন নতুন মসজিদের দরকার নেই। যারা অতীতে ১৩ কোটিকে ২১ কোটি করেছে, সব মসজিদগুলো ভেঙে পড়েছে। আমার সেনবাগের মডেল মসজিদে প্রবেশ করা যায় না, পানি পড়ে। এসব অনিয়ম তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, তা জানতে চান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত আওয়ামী ‘ফ্যাসিবাদ’ সরকারের সময়ে অর্থ লোপাটের বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। আমি বলছি না পদ্মাসেতুর মত দুর্নীতি এখানে হয়েছে। তবে ইসলামের নামে, মসজিদের নামে তারা যা করেছে, সেটা গর্হিত কাজ। মডেল মসজিদ নির্মাণকে ‘অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, প্রকল্পটির ব্যয় প্রাক্কলন যথাযথ ছিল কি না, সেটি ‘যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন’।
চট্টগ্রাম–১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী জানান, দেশে নিবন্ধিত ওয়াক্ফ সম্পত্তির পরিমাণ ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫০ দশমিক ৯৮ একর। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে এ পর্যন্ত ২৭ দশমিক ৫৩ একর ওয়াক্ফ সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে।












